রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

দীর্ঘদিনের আলোচনা, বিতর্ক ও শিক্ষার্থী আন্দোলনের পর ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে নিয়ে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রণীত অধ্যাদেশের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে অধ্যাদেশ জারি হলে বিশ্ববিদ্যালয়টি কার্যক্রম শুরু করবে। তখন ঢাকা কলেজসহ সাতটি সরকারি কলেজ নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত কলেজ হিসেবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব একাডেমিক কার্যক্রমও চালু থাকবে। এতদিন এসব কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল।

গতকাল বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিদ্ধান্তগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। একই বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে।

ঢাকার সাত কলেজকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও একাডেমিক সংকট দীর্ঘদিনের। ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই কলেজগুলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই পরীক্ষা, ফল প্রকাশ ও প্রশাসনিক জটিলতায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়তে থাকে।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের মুখে গত বছরের জানুয়ারিতে সরকার সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি থেকে পৃথক করার ঘোষণা দেয়। পরে এসব কলেজকে একত্র করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাঠামো নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধ্যাদেশের খসড়া পুনর্বিবেচনা ও সংশোধন করে, যা এবার উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, নতুন অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য হলো সাত কলেজকে একটি অভিন্ন একাডেমিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অচলাবস্থা নিরসন।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ সংযুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচালিত হবে। তবে প্রতিটি কলেজের স্বকীয়তা, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অপরিবর্তিত থাকবে।

প্রাথমিক খসড়ায় প্রতিটি কলেজে পৃথক স্কুলভিত্তিক কার্যক্রম চালুর যে প্রস্তাব ছিল, সংশোধিত খসড়ায় তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত খসড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোর কথা বলা হয়েছে। এতে আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল থাকবে। রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষা, গবেষণা, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করতে পারবে।

কলা, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন ও চারুকলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পৃথক স্কুল থাকবে, যার নেতৃত্ব দেবেন হেড অব স্কুল। সংযুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠদান, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত অভিন্ন সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফল এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মূল ক্যাম্পাস বা সংযুক্ত কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন। এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়নের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, বর্ণ বা বিশেষ চাহিদার ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য ছাড়াই দেশি ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল সুবিধা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম পরিচালনার কথাও উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনার পাশাপাশি ক্যাম্পাস প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

একই বৈঠকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা সংক্রান্ত ট্রাস্ট অধ্যাদেশের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাবে পরিচালককে স্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে পরিষদের সদস্যসচিব করার বিধান রাখা হয়েছে।

এই দুটি ট্রাস্টের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা প্রদান করা হয়, যা পৃথক পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে।

দুবাইতে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
দুবাইতে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ

দুদকের (দুদক) মামলায় বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সমকালকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুন (শুক্রবার) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে পৌঁছালে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। বর্তমানে তাকে সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

​ইন্টারপোলের চিঠিতে নিশ্চিত বার্তা

​নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, গত ১২ জুন দুবাই ইন্টারপোল থেকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে সাবেক এই পুলিশ প্রধানকে দুবাই পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

​উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলায় গত ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করেছিল সরকার। সেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পরিপ্রেক্ষিতেই এবার দুবাই পুলিশ তাকে আটক করল।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বক্তব্য

​সাবেক আইজিপির আটকের খবরটি জানার পর পুলিশ সদর দপ্তরের দুজন অতিরিক্ত আইজিপি, একজন ডিআইজি এবং একজন এআইজির সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা প্রত্যেকেই বেনজীর আহমেদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে বিষয়টির সংবেদনশীলতার কারণে তারা কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে বা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

​দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু

​পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে আটকের বিষয়টি ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

পরামর্শ: যদি কোনো নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব ফরম্যাট বা বিশেষ কোনো টোন (যেমন: হেডলাইন আরও আকর্ষণীয় করা) যোগ করতে চান, তবে জানাতে পারেন!

চান্দিনা এক্সপ্রেস এর পথ চলা শুরু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনা এক্সপ্রেস এর পথ চলা শুরু

অনেকে লাকি মনে করেন। আসলে আপনারা সবাই লাকি। শুধু যার যার জায়গায় সৎভাবে ধৈর্য ধরে কাজ করুন। সাকসেস অটোমেটিক্যালি আপনাদের আসবে। পাঁচ বছর পরিশ্রম করার পর নেইমার জুনিয়রের পরিবারের সাথে আজকের এই মূল্য। এটা ডে নাইট কোনো কিছু না।

একটি কালভার্টের অপেক্ষায় তিন শতাধিক মানুষ, চরম দুর্ভোগে গাংগাটিয়াবাসী

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
একটি কালভার্টের অপেক্ষায় তিন শতাধিক মানুষ, চরম দুর্ভোগে গাংগাটিয়াবাসী

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গাংগাটিয়া বাজারসংলগ্ন রজনী রবিদাসের বাড়ির সামনের খালের ওপর একটি কালভার্ট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ২০টি হিন্দু পরিবারের তিন শতাধিক মানুষ। বাড়িতে যাতায়াতের কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। ফলে শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য পরিস্থিতি দিন দিন আরও সংকটজনক হয়ে উঠছে।

এ অবস্থায় দ্রুত একটি কালভার্ট নির্মাণের দাবিতে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষুদিরাম রবিদাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাংগাটিয়া বাজারের উত্তর পাশে অবস্থিত রজনী রবিদাসের বাড়িতে প্রায় ২০টি পরিবারের বসবাস। কিন্তু খালের কারণে বাড়িতে প্রবেশের জন্য কোনো সড়ক বা সেতু না থাকায় বাসিন্দাদের বিদ্যুতের খুঁটি ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, সামান্য বৃষ্টিতেই খালের পানি বেড়ে গেলে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসা ব্যাহত হয় এবং অসুস্থ ব্যক্তি বা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নেওয়াও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের দাবি, সবচেয়ে মানবিক সংকট দেখা দেয় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে। কারণ, খালের ওপর নিরাপদ সংযোগ না থাকায় মরদেহ বাড়ি থেকে বের করতেও স্বজনদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

আবেদনকারী ক্ষুদিরাম রবিদাস বলেন, “গাংগাটিয়া বাজারসংলগ্ন রজনী রবিদাসের বাড়ির সামনে একটি ছোট কালভার্ট নির্মাণ করা হলে বহু বছরের এই দুর্ভোগের অবসান হবে। শিশুদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তাহলে এলাকাবাসী চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।”

এলাকার বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “আবেদনটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি ছোট কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে কয়েক শ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করা সম্ভব। তারা দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।