মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩

বকেয়া বিলের কারণে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

জান্নাতুল মাওয়া প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বকেয়া বিলের কারণে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

১০ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় কিশোরগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে কিশোরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। এতে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রোগী, বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, নবজাতক ও শিশুদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। প্রচণ্ড গরমে অনেককে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে দেখা যায়। বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সেবাগ্রহীতারা।

রোগীদের স্বজনরা জানান, সকাল থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় ওয়ার্ডগুলোতে অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, প্রসূতি ও শিশু রোগীরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করছেন। অনেকে উন্নত সেবা পাওয়ার আশায় অন্য হাসপাতালে যাওয়ার কথাও ভাবছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল একটি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছিল। তবে ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় ১০ মাসের বকেয়া জমে যায়। বর্তমানে বকেয়া বিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫০৮ টাকা। সংশ্লিষ্ট গ্রাহক নম্বর ০৭৫৪০৫৮৮।

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ক্লিনিক অফিসার ডা. মো. শহিদুল হাসান বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে দুই থেকে তিনবার বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য নোটিশ ও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও বাজেট সংকটের কারণে নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় রোগীসেবা কার্যক্রমে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যুৎ না থাকায় ওয়ার্ডগুলোতে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রোগীদের অভিযোগ, সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় চিকিৎসা ও অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রউফ বলেন, “বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে একাধিকবার নোটিশ ও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ১০ মাস ধরে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিধি অনুযায়ী সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বকেয়া বিল পরিশোধ করা হলে পুনরায় সংযোগ চালু করা হবে।”

একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। রোগী, স্বজন ও স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।

চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর যাত্রায় ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রয়েল মিয়ার শুভেচ্ছা)।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর যাত্রায় ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রয়েল মিয়ার শুভেচ্ছা)।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হওয়ায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ৬নং বাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রয়েল মিয়া (রাফি)। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পোর্টালটির সম্মানিত সম্পাদক, প্রকাশক, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই শুভ ক্ষণে শুভকামনা জানান।

​চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রয়েল মিয়া (রাফি) বলেন,

​”‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ নামে নতুন একটি নিউজ পোর্টালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি শুধু একটি ওয়েবসাইটের উদ্বোধন নয়, বরং চান্দিনার মাটি ও মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার এক নতুন প্রত্যয় হিসেবে কাজ করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।”

​ডিজিটাল যুগের চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ তাৎক্ষণিক, নির্ভুল এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রত্যাশা করে। চান্দিনার সুখ-দুঃখ, স্থানীয় সমস্যা ও অমিত সম্ভাবনার কথা সারা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

​শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, “সত্য প্রকাশে আপোষহীন”—এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে পোর্টালটি খুব দ্রুতই চান্দিনাবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নেবে এবং সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করবে।

​সর্বশেষে, তিনি ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ পরিবারের সবার উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং বলেন, “চান্দিনা এক্সপ্রেস এগিয়ে যাক, চান্দিনার মানুষের কথা বলুক।”

“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।” — মাওলানা মুহাম্মদ মাহদী হাসান তরুণ আলেম, সংগঠক ও সমাজসেবক

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।” — মাওলানা মুহাম্মদ মাহদী হাসান তরুণ আলেম, সংগঠক ও সমাজসেবক

“সাহসিকতার সাথে সত্য সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধপরিকর”
জনপদের প্রতিটি সমস্যা, সম্ভাবনা, সুখ-দুঃখ এবং সাধারণ মানুষের মনের আকুতি জনকণ্ঠ হয়ে তুলে ধরতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে চান্দিনা এক্সপ্রেস।
সত্য, ন্যায় ও বস্তুনিষ্ঠতার আলোকে সংবাদ পরিবেশন করে জনগণের আস্থা অর্জন করাই একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের মূল লক্ষ্য। অবহেলিত মানুষের কথা, সমাজের বাস্তব চিত্র এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নির্ভীকভাবে তুলে ধরে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে চান্দিনা এক্সপ্রেস।
একটি গণমাধ্যম কেবল সংবাদ পরিবেশন করে না; বরং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন, সচেতনতা ও উন্নয়নের পথকে আরও সুগম করে। ন্যায়নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনবান্ধব সাংবাদিকতার আদর্শ ধারণ করে চান্দিনা এক্সপ্রেস আগামী দিনে আরও সমৃদ্ধ ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে—এই প্রত্যাশা রাখি।
“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।”

উন্মাদনার ফুটবল বনাম ক্ষুধার পৃথিবী: খোলস-মানুষের চশমায় ঢাকা মনুষ্যত্ব

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
উন্মাদনার ফুটবল বনাম ক্ষুধার পৃথিবী: খোলস-মানুষের চশমায় ঢাকা মনুষ্যত্ব

একদিকে মাঠের সবুজ ঘাসে ২২০ বিলিয়ন ডলারের ঝনঝনানি, অন্যদিকে একবেলা আহারের অপেক্ষায় থাকা কোটি কোটি শিশুর নিস্তব্ধ হাহাকার। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্বকে যেমন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসিয়েছিল, ঠিক তেমনি উন্মোচিত করে দিয়েছে আধুনিক সভ্যতার এক নির্মম ও কুৎসিত বৈপরীত্য।

​জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলির একটি হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার খরচ করলেই পৃথিবীর প্রায় ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের মৌলিক খাদ্যচাহিদা সম্পূর্ণ পূরণ করা সম্ভব। গাণিতিক হিসেবে, কাতার বিশ্বকাপের পেছনে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে, তা দিয়ে বিশ্বের সমগ্র ক্ষুধা অন্তত সাড়ে পাঁচ বছর দূর করা যেত।

​উৎসবের আড়ালে ঢাকা পড়া কঙ্কাল

​যে বিশ্বে প্রতি রাতে কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত পেটে ঘুমাতে যায়, সেই বিশ্বে স্রেফ একটি ২৮ দিনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পেছনে ২২০ বিলিয়ন ডলারের বিপুল অপচয় এক চরম উপহাস। বিশ্বজুড়ে কর্পোরেট পরাশক্তি, গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থা কতটা বিবেকহীন ও ভোগবাদী মানসিকতায় আক্রান্ত। একটি খেলার আনন্দ কোটি প্রাণ বাঁচানোর চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে তথাকথিত এই ‘সভ্য’ সমাজে।