রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মিয়ানমারে পিডিএফ-এর হামলায় ৪০ সেনা নিহত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মিয়ানমারে পিডিএফ-এর হামলায় ৪০ সেনা নিহত

মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোর দক্ষিণে জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐক্যের সরকার (এনইউজি) নেতৃত্বাধীন প্রতিরোধ বাহিনী পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ)-এর হামলায় অন্তত ৪০ সেনা নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) স্থানীয় গণমাধ্যম মিয়ানমার নাউ প্রতিরোধ বাহিনীর বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে নেপিদোর দক্ষিণে বাগো অঞ্চলে সিত্তাং নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে জান্তার অবস্থান লক্ষ্য করে সমন্বিত আক্রমণ চালায় পিডিএফ। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে এই একই এলাকায় বিদ্রোহী বাহিনীর হামলা শুরু হয়েছিল।

প্রথম আক্রমণটি সকাল ৭:৩০ টার দিকে একটি সেনা ক্যাম্পে ঘটে, যেখানে প্রায় ৪০ জন সরকারি সেনা অবস্থান করছিল। হামলায় দুই সেনা নিহত হন এবং কিছু গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। একইদিন আরও দুটি স্থানে পিডিএফ-এর হামলায় আরও সেনা প্রাণ হারান এবং বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ জব্দ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, দিনভর দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে অনেকে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান।

মিয়ানমারে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ২০২১ সালে রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্রপন্থি নেতা অং সান সু চি সরকারের ক্ষমতা দখল করে জান্তা সরকার। প্রায় চার বছর পর এই সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রথম ধাপের নির্বাচনে জয় দাবি করেছে জান্তাপন্থি রাজনৈতিক দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (ইউএসডিপি)। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে, ফাঁকা ভোটকেন্দ্রে বন্দুকের ভয়ে অনেক নাগরিক ভোট দিতে পারেননি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতন্ত্রের জন্য নয়, বরং সামরিক শাসনের নতুন চেহারা প্রদর্শনের জন্য এই নির্বাচনী নাটক হচ্ছে।

হজ্ব শেষে দেশে ফিরেই নেতা কর্মীদের খোজ নিলেন হাত পাখার প্রার্থী এহতেশামুল হক

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
হজ্ব শেষে দেশে ফিরেই নেতা কর্মীদের খোজ নিলেন হাত পাখার প্রার্থী এহতেশামুল হক

হজ্ব শেষে দেশে ফিরে এহতেশামুল হক কাসেমী চান্দিনার নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

নেতাকর্মীদের কাছ থেকে চান্দিনার সর্বশেষ পরিস্থিতি জানার চেষ্টা করেন এবং অনিয়ম, দখল, মাদক, ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। মতবিনিময় সভা ইসলামী আন্দোলনের চান্দিনাস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভা দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়। সর্বশেষ তিনি সারাজীবন চান্দিনার মানুষের পাশে থেকে খেদমত চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা প্রদান করেন।

​চান্দিনার বীরখালে মাদকের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর ‘গণবিচার’: জড়িতদের বয়কটের ঘোষণা, স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
​চান্দিনার বীরখালে মাদকের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর ‘গণবিচার’: জড়িতদের বয়কটের ঘোষণা, স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি

চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের বীরখাল গ্রামে মাদকের বিস্তার রোধে এক অভিনব ও সচেতনতামূলক ‘গণবিচার’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুবসমাজ ও সাধারণ গ্রামবাসী এই বিচারসভায় ঐক্যবদ্ধ হন।

​শনিবার (বা সাম্প্রতিক যেকোনো দিন) বীরখাল গ্রামে আয়োজিত এই গণবিচার সভায় বক্তারা বলেন, “মাদক আমাদের সমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যুবসমাজকে এই মরণব্যাধির ছোবল থেকে রক্ষা করতে হলে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”

​কঠোর সামাজিক বয়কটের হুঁশিয়ারি

​সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এলাকায় যারা মাদকের বেচাকেনা বা সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকবে, তাদের সম্পূর্ণভাবে সমাজচ্যুত বা সামাজিক বয়কট করা হবে। একই সাথে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

​স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে সহযোগিতার হাত

​তবে অপরাধের শাস্তির পাশাপাশি সংশোধনের এক মানবিক সুযোগও রেখেছেন বীরখাল গ্রামবাসী। সভায় ঘোষণা করা হয়, কেউ যদি মাদকের অন্ধকার পথ ছেড়ে পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায়, তবে তাকে সমাজ থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া হবে না। বরং তাকে সামাজিকভাবে পুনর্বাসিত করা হবে, সমাজে তার মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে তার পুনর্বাসনের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করে দেবে গ্রামবাসী।

​আন্দোলন ধরে রাখার অঙ্গীকার

​গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ জানান, বীরখাল গ্রামকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত তাদের এই ঐক্যবদ্ধ অবস্থান বজায় থাকবে। মাদকের বিরুদ্ধে এমন সামাজিক সচেতনতামূলক উদ্যোগ ও প্রতিরোধ আগামীদিনেও অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

দুবাইতে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
দুবাইতে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ

দুদকের (দুদক) মামলায় বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সমকালকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুন (শুক্রবার) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে পৌঁছালে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। বর্তমানে তাকে সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

​ইন্টারপোলের চিঠিতে নিশ্চিত বার্তা

​নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, গত ১২ জুন দুবাই ইন্টারপোল থেকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে সাবেক এই পুলিশ প্রধানকে দুবাই পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

​উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা একটি মামলায় গত ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করেছিল সরকার। সেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পরিপ্রেক্ষিতেই এবার দুবাই পুলিশ তাকে আটক করল।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বক্তব্য

​সাবেক আইজিপির আটকের খবরটি জানার পর পুলিশ সদর দপ্তরের দুজন অতিরিক্ত আইজিপি, একজন ডিআইজি এবং একজন এআইজির সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা প্রত্যেকেই বেনজীর আহমেদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে বিষয়টির সংবেদনশীলতার কারণে তারা কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে বা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

​দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু

​পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে আটকের বিষয়টি ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

পরামর্শ: যদি কোনো নির্দিষ্ট সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব ফরম্যাট বা বিশেষ কোনো টোন (যেমন: হেডলাইন আরও আকর্ষণীয় করা) যোগ করতে চান, তবে জানাতে পারেন!