জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে ময়মনসিংহ বিভাগে ইংরেজি বক্তৃতায় সেরা ভৈরবের প্রিয়ন্তী
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত ইংরেজি বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন ভৈরব সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী রানী পোদ্দার।
প্রিয়ন্তী ভৈরব বাজারের ব্যবসায়ী রতন কুমার পোদ্দার ও গৃহিণী সেতু রানী পোদ্দারের কন্যা। তার একমাত্র ছোট বোন উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত।
শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই প্রিয়ন্তী মেধার স্বাক্ষর রেখে আসছেন। ২০১৯ সালে ভৈরব সরকারি কেবি পাইলট মডেল হাই স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ–৫ অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালে রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ থেকে একই বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ–৫ লাভ করেন। এরপর ভৈরব সরকারি মহিলা কলেজে ইংরেজি বিষয়ে অনার্সে ভর্তি হয়ে প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস অর্জন করেন। দ্বিতীয় বর্ষের ফলাফল প্রকাশ না হলেও ফার্স্ট ক্লাস পাওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। বর্তমানে তিনি তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।
উল্লেখ্য, অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে প্রিয়ন্তী বৃত্তি লাভ করেন। শিক্ষার পাশাপাশি তিনি আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা, ছবি আঁকা ও সংগীতচর্চায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছেন। ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’ আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তিনি জেলা পর্যায়ে একাধিকবার পুরস্কার লাভ করেন। বিভাগীয় পর্যায়ে এটিই তার প্রথম শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন।
এই সাফল্যে প্রিয়ন্তীর পরিবার, কলেজের শিক্ষকবৃন্দ ও সহপাঠীরা আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি প্রাইভেট পড়ানো, গান শোনা এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সময় কাটান। রবীন্দ্রসংগীত তার বিশেষ প্রিয়।
ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষকতা পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রিয়ন্তী। তার এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মায়ের পাশাপাশি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম সেকুল, শিক্ষক খাদিজা ইয়াসমিন ও অপূর্ব বণিকের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেন তিনি।
জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন এই মেধাবী শিক্ষার্থী।





চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের বীরখাল গ্রামে মাদকের বিস্তার রোধে এক অভিনব ও সচেতনতামূলক ‘গণবিচার’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুবসমাজ ও সাধারণ গ্রামবাসী এই বিচারসভায় ঐক্যবদ্ধ হন।







