শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ব্যয় ৩,১৫০ কোটি

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ব্যয় ৩,১৫০ কোটি

সরকার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য মোট ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকা ব্যয় করবে। এর মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ অর্থ চলতি বাজেটের ‘অপ্রত্যাশিত খাত’ থেকে জোগান দেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হওয়ায় পূর্বনির্ধারিত বরাদ্দের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ অতিরিক্ত চাহিদা পূরণে অপ্রত্যাশিত খাতের ৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি এই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। অপ্রত্যাশিত খাত থেকে অতিরিক্ত বরাদ্দ যুক্ত হওয়ায় নির্বাচনের জন্য সরকারের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৫০ কোটি টাকায়।

সূত্র অনুযায়ী, অর্থ বিভাগ থেকে অর্থ উপদেষ্টার কাছে ব্যয় অনুমোদনের জন্য একটি সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, বাজেটে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দকৃত ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা শুধুমাত্র ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ অর্থ, অর্থাৎ ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে ছাড় করা হয়েছে। বাকি অর্থ ছাড় প্রক্রিয়াধীন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, প্রবাসী ভোটার এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থায় ভোটগ্রহণ চালু করতে নির্বাচন কমিশন অতিরিক্ত ১ হাজার ৭০ কোটি টাকা চেয়েছে। এই চাহিদাকে যৌক্তিক বলে সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরে নির্বাচন কমিশনের জন্য জাতীয় বাজেটে মোট বরাদ্দ রয়েছে ২ হাজার ৭২৬ কোটি টাকা। তবে এই বরাদ্দ দিয়ে অতিরিক্ত ব্যয় মেটানো সম্ভব না হওয়ায় অপ্রত্যাশিত খাত থেকে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, মূল বরাদ্দের প্রথম কিস্তি হিসেবে ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। পাশাপাশি বর্ধিত ব্যয়ের প্রথম কিস্তি হিসেবে ২৬৭ কোটি টাকা ইতোমধ্যে অপ্রত্যাশিত খাত থেকে দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ৮০২ কোটি টাকা ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ব্যয় আগের নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মোট ব্যয় হয়েছিল ২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

অর্থ উপদেষ্টা জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতি কিছুটা চাপের মুখে থাকলেও নির্বাচন ব্যয় নিয়ে কোনো সংকট হবে না। নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

অর্থনীতিবিদ ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভালো নির্বাচন আয়োজন করতে পর্যাপ্ত অর্থ প্রয়োজন। অপ্রত্যাশিত খাত থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হলে সমস্যা নেই। তবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা যোগাযোগ খাতের বরাদ্দ কমিয়ে নির্বাচন ব্যয় বাড়ালে তা উদ্বেগজনক হতো। নির্বাচনী ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।’

এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারে কিছু শর্ত দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট-২০২৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস-২০২৫সহ সব আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। বরাদ্দকৃত অর্থ সাশ্রয় হলে ৩০ জুনের মধ্যে তা কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে দায় নির্বাচন কমিশনের ওপর বর্তাবে।

অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ১৮টি খাতে ব্যয় করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের ব্যয় বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ব্যয় হবে সংশ্লিষ্টদের দৈনিক খোরাকি ভাতায়—৭৩০ কোটি টাকা। সরকারি গাড়ির জ্বালানি বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯৮ কোটি টাকা এবং চুক্তিভিত্তিক যানবাহনে ২০১ কোটি টাকা। মনিহারি পণ্য ক্রয়ে ব্যয় হবে ৫৮১ কোটি টাকা, সম্মানি বাবদ ৫১৫ কোটি, যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ক্রয়ে ১৬২ কোটি, মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ে ১০৮ কোটি, যাতায়াত ভাতায় ১০৯ কোটি এবং বিজ্ঞাপন ও প্রচারে ১০৩ কোটি টাকা। এছাড়া আপ্যায়ন খাতে ১৮৪ কোটি, পরিবহণ ব্যয় ৮০ কোটি, শ্রমিক মজুরি ৩১ কোটি, স্ট্যাম্প ও সিল ১৭ কোটি, মেশিন ভাড়া ১৫ কোটি, প্রশিক্ষণ ৭ কোটি, ব্যালট বাক্স ৫ কোটি এবং অন্যান্য খাতে ৩ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য বিশ্বের ১২৩টি দেশ থেকে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। প্রতিটি ভোট গ্রহণে সরকারের গড় ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৭০০ টাকা।

সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালালেও গণভোটে কোনো প্রার্থী বা প্রতীক না থাকায় নির্বাচন কমিশন সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে। এতে নির্বাচন কার্যক্রমের পরিধি বাড়ছে এবং ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকা।

আগের নির্বাচনের ব্যয়ের তুলনায় দেখা যায়, ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। দশম সংসদ নির্বাচনে ব্যয় ছিল ২৬৫ কোটি এবং ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থাপনা ও উপকরণের ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্বাচন আয়োজনের খরচও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

মাদকবিরোধী অভিযানে চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
মাদকবিরোধী অভিযানে চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কুমিল্লার চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যের বিক্রয়, সরবরাহ, সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চান্দিনা উপজেলার কোনো এলাকায় মাদকদ্রব্যের বিক্রয়, সরবরাহ, সেবন কিংবা মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানা থাকলে সাধারণ মানুষ লিখিতভাবে তা থানায় স্থাপিত অভিযোগ বক্সে জমা দিতে পারবেন।

থানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ বক্সে জমা পড়া তথ্য গুরুত্বসহকারে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি তথ্যদাতা বা অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চান্দিনা থানা কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও সঠিক তথ্যের মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।

চান্দিনায় ইসলামী আন্দোলনের নবগঠিত উপজেলা কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
চান্দিনায় ইসলামী আন্দোলনের নবগঠিত উপজেলা কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা উপজেলা শাখার নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি (২০২৬-২০২৮)-এর শপথ গ্রহণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাদ জোহর আইএবি মিলনায়তনে উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতী ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নবগঠিত কমিটির দায়িত্বশীলদের শপথ গ্রহণ ও পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং আগামী দিনের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মুফতী ইসমাইল হোসাইন। সহ-সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন ও মুফতী সাইফুল ইসলাম। সেক্রেটারি মাওলানা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি আবুজর গিফারী।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ জোবায়ের খান ফরাজী, প্রচার সম্পাদক মাওঃ মাহদী হাসান, দপ্তর সম্পাদক হাসানাত মোঃ মুহিত রনি, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক কারী শাহপরান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ কামাল হোসেন ফরাজী, দাওয়াহ ও জনসংযোগ সম্পাদক মাওলানা আবুল খায়ের, ছাত্র ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক আ ম ম উবাইদুল হক, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাফেজ মিজানুর রহমান এবং নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক ডাঃ সোলাইমান ইব্রাহীম দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন—ডাঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সোলাইমান সরকার, কারী মোহাম্মদ আলী ও হাফেজ মোঃ মোস্তফা কামাল।

সভায় নবগঠিত কমিটির দায়িত্বশীলরা সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে চান্দিনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে চান্দিনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখা। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মিষ্টিমুখ করানো হয়।

সম্প্রতি আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখার সভাপতি মুহা. সাব্বির আহমাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এইচএম শোয়াইব আহমাদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি এইচএম শাহ জালাল। প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা উত্তরের সভাপতি আ ম ম উবায়দুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।

বক্তারা জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শুধু একাডেমিক সাফল্য নয়, ভবিষ্যৎ জীবনে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও আদর্শিক মূল্যবোধ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতাকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগানোরও আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।