শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

একজন প্রার্থী আছেন, যিনি দিনের শুরুতেই আমার নাম নেন- মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
একজন প্রার্থী আছেন, যিনি দিনের শুরুতেই আমার নাম নেন- মির্জা আব্বাস

নির্বাচনী মাঠে নতুনদের স্বাগত জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, তিনি আশা করেন—প্রার্থীরা আইন মেনে নির্বাচন করবেন এবং কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করে কথা বলবেন না।

তিনি বলেন, “মানুষ সকালে ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়ে আল্লাহর নাম নেয়। অথচ আমার এখানে এমন একজন প্রার্থী আছেন, যিনি দিনের শুরুতেই আমার নাম নেন।” অতীতে তিনি অনেক শক্ত ও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে নির্বাচন করেছেন উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, “কিন্তু তখন আমরা কেউ কারও বিরুদ্ধে বিষোদগার করিনি।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে সারাদিন শুধু তাঁর নামেই বিষোদগার করা হচ্ছে। তাঁর সম্পর্কে অকথ্য ভাষায় কথা বলে তাঁকে উত্তেজিত করার চেষ্টা চলছে। “ওরা বোঝে না—আমি জীবনে বহু নির্বাচন মোকাবিলা করে এসেছি। আবারও বলছি, ওরা বাচ্চা ছেলে—আমার সন্তানের মতো,” বলেন তিনি।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর শান্তিনগর ইস্টার্ন প্লাস মার্কেটে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

এরপর তিনি পুরানা পল্টনের বধির স্কুলে মূক ও বধিরদের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বিকেলে শান্তিনগর বাজার ও পীর সাহেবের গলিতে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ করেন। রাতে তিনি চামেলীবাগ গ্রীন পিস অ্যাপার্টমেন্টের মালিকদের সঙ্গে এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, “আমি জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি বিশ্বাস করি, জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।” নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে উচ্ছ্বাস ও আবেগ সৃষ্টি হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারিতে তার প্রতিফলন ঘটবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালো আছে। তবে সামনে কী হবে, তা বলা যাচ্ছে না।” কিছু প্রার্থীর কার্যকলাপ ও চালচলন দেখে মনে হচ্ছে তারা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, “বাস্তবতা অনুভব করতে হবে। নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। একটি বিশেষ গোষ্ঠী কিছু লোককে জয়ী করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।”

বাংলাদেশিদের জন্য দ্রুত ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার তাগিদ ভারতের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিদের জন্য দ্রুত ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার তাগিদ ভারতের

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করতে ভারত সরকারকে তাগিদ দিয়েছে দেশটির একটি সংসদীয় কমিটি। ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ বিষয়ক প্রতিবেদনে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিটি বলেছে, দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও জনগণের যোগাযোগ বজায় রাখতে স্বাভাবিক ভিসাসেবা জরুরি। একই সঙ্গে ভিসানীতি পর্যালোচনা, আবেদনকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং বৈধ ভ্রমণকারীদের ভোগান্তি কমাতে দ্বিপক্ষীয় কনস্যুলার সহযোগিতা ব্যবস্থা গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের পাঁচটি ভিসাকেন্দ্র থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০ ভিসা দেওয়া হচ্ছে, যার প্রায় ৮০ শতাংশ চিকিৎসা ভিসা।

সারজিস-নাসীরুদ্দীনসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
সারজিস-নাসীরুদ্দীনসহ এনসিপির ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ দলটির ১০ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন রুকন হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন। এতে নাম উল্লেখ করা ১০ জন ছাড়াও অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৮ জুলাই কোর্ট মসজিদের সামনে এনসিপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আহত করা হয় এবং একাধিক মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তবে একই ঘটনায় এনসিপিও ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক জানান, মামলাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

গোলাপগঞ্জে এনসিপি নেতাদের গাড়িতে হামলার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
গোলাপগঞ্জে এনসিপি নেতাদের গাড়িতে হামলার অভিযোগ

সিলেটের গোলাপগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের বহনকারী একটি গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটি কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেছেন এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, হামলার সময় গাড়িতে তাঁর সঙ্গে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ আরও কয়েকজন ছিলেন।

মাহমুদা মিতুর অভিযোগ, বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁদের গাড়িতে হামলা করে ডান পাশের ও পেছনের কাচ ভেঙে ফেলেছেন। হামলাকারীরা তাঁদের হত্যার চেষ্টা করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে—এমন অভিযোগও করেন এনসিপির এই নেত্রী। একই ঘটনায় সারজিস আলমও ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তাঁদের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ করেন।

তবে হামলার অভিযোগ, হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং পুলিশের ভূমিকা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।