শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জ–৫; প্রার্থীদের লক্ষ্য আওয়ামী ও সংখ্যালঘু ভোটভান্ডার

ধানের শীষ ও হাঁসের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উত্তপ্ত ভোটের মাঠ! ঠান্ডা মাথায় এগোচ্ছে দাঁড়িপাল্লা

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ধানের শীষ ও হাঁসের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উত্তপ্ত ভোটের মাঠ! ঠান্ডা মাথায় এগোচ্ছে দাঁড়িপাল্লা

(বাঁ থেকে) ধানের শীষ, হাঁস ও দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ১৬৬, কিশোরগঞ্জ–৫ (নিকলী–বাজিতপুর) এলাকায় এবারের নির্বাচনী লড়াই ক্রমেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। হাওরবেষ্টিত এই বিশাল সংসদীয় আসনে ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট তিন লক্ষ তেপ্পান্ন হাজার পাঁচশ ছেষট্টি জন ভোটার রয়েছেন।

এই আসনে একদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন, অন্যদিকে বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল হাঁস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ধানের শীষ ও হাঁস প্রতীকের মধ্যকার এই ভোটযুদ্ধে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তবে তাদের এই উত্তপ্ত লড়াইয়ের মাঝেও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ঠান্ডা মাথায় এগোচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মো. রমজান আলী।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মাঠে থাকা অধ্যাপক মো. রমজান আলী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য এবং কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির। হুদা ও ইকবালের ভোটযুদ্ধে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীদের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও বিভক্তি ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই বিভক্তির সুযোগে জামায়াতে ইসলামী কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেক সচেতন ভোটার।

হেভিওয়েট এই তিন প্রার্থী দলীয় ও সাধারণ ভোটারের পাশাপাশি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন সংখ্যালঘু ও আওয়ামী ভোটারদের প্রতি। এই ভোটভান্ডারের সিংহভাগ যিনি নিজের দখলে নিতে পারবেন, তিনিই বিজয়ের চূড়ান্ত সাফল্যে পৌঁছাবেন—এমনটাই মত অনেকের।
বর্তমান নির্বাচনী পরিস্থিতিতে আওয়ামী ভোটারদের কদর বেড়ে যাওয়ায় মামলা ছাড়াই গ্রেপ্তার আতঙ্কে পলাতক থাকা অনেক আওয়ামী নেতাকর্মীকে নিজ নিজ এলাকায় নীরব অবস্থানে থাকতে দেখা যাচ্ছে। তাদের ভোট নিজেদের পক্ষে আনতে রাতের গভীরে বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীরা যোগাযোগ রক্ষা করে আসছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সংখ্যালঘু ও আওয়ামী ভোট এখন হেভিওয়েট প্রার্থীদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন বিচক্ষণ ও প্রবীণ স্থানীয় রাজনীতিবিদরা।

নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলার সাধারণ মানুষের মতে, এবারের সংসদ নির্বাচন ধানের শীষ, হাঁস ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ত্রিমুখী এবং হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনটি বিএনপির চিহ্নিত ঘাঁটি হিসেবে রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। তবে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এই আসনটি নিজেদের দখলে নেয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এই আসনটি পুনরুদ্ধার করতে মরিয়া।

এই পুনরুদ্ধারের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন হাঁস প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নিকলী ও বাজিতপুর উপজেলার বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী ইকবালের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় দলীয় বিশৃঙ্খলা ক্রমেই বাড়তে থাকে। বিষয়টি বিএনপির নীতিনির্ধারক মহলের নজরে এলে দ্রুত দলীয় শৃঙ্খলা ফেরাতে দুই উপজেলার ২০ জন প্রভাবশালী নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি। পাশাপাশি কয়েকজন নেতার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের দলীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা হয়।

এর ফলে স্থানীয় বিএনপি রাজনীতিতে নির্বাচনী সময়ে দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যাপক সচেতনতা লক্ষ করা যাচ্ছে। ধানের শীষের পক্ষে প্রচার-প্রচারণাও জোরদার হয়েছে। এই ধারা বজায় থাকলে অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনী গণজোয়ার সৃষ্টি হয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন সচেতন স্থানীয় নেতা ও ভোটার।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মো. রমজান আলী জানান, তিনি ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন। এরপর থেকেই তিনি নিকলী–বাজিতপুরের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন, অনেকের পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সমস্যায় সহায়তা করেছেন। মানুষের এই ভালোবাসার ফলেই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনতার ভোটে দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হয়ে সংসদে যাওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অপরদিকে সাবেক বিএনপি নেতা ও হাঁস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল নিজেকে স্বতন্ত্র নয়, ‘জনতার প্রার্থী’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে যেসব বিএনপি নেতাকর্মী জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন এবং আওয়ামী নেতাদের দ্বারা নির্যাতিত বিএনপি পরিবারের পাশে তিনি সর্বক্ষণ ছায়ার মতো দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া গত ২৫ বছর ধরে বিএনপির হয়ে এই আসনের সব ইউনিয়নে নিয়মিত দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় কর্মী-সমর্থকদের দাবী, ভালোবাসা ও চাপেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং জনতার ভোটে বিজয়ী হয়ে সংসদে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বাবা সৈয়দ সিরাজুল হুদার হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া সৈয়দ এহসানুল হুদা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে নামার কথা জানিয়ে বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে নিকলী–বাজিতপুরের প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সভা-সমাবেশ ও জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপি একটি বৃহৎ দল হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে মান-অভিমান থাকতেই পারে, তবে সেগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধান করা হচ্ছে। ব্যক্তি নয়, দল বড়—দলের চেয়েও দেশ বড়—এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনবেন এবং তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে  বিএনপির ধানের শীষ, স্বতন্ত্র প্রার্থীর(বিএনপি বিদ্রোহী) হাঁস, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা ছাড়াও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম (হরিণ), জাতীয় পার্টির মোঃ মাহবুবুল আলম (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন কাসেমী (হাতপাখা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাজ্জাদ হোসেন স্বাধীন (হারিকেন) এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী অলি উল্লাহ (মোমবাতি) রয়েছেন। সবাই নিজ নিজ প্রতীক নিয়ে বিজয়ের লক্ষ্যে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

মাদকবিরোধী অভিযানে চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
মাদকবিরোধী অভিযানে চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কুমিল্লার চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যের বিক্রয়, সরবরাহ, সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চান্দিনা উপজেলার কোনো এলাকায় মাদকদ্রব্যের বিক্রয়, সরবরাহ, সেবন কিংবা মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানা থাকলে সাধারণ মানুষ লিখিতভাবে তা থানায় স্থাপিত অভিযোগ বক্সে জমা দিতে পারবেন।

থানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ বক্সে জমা পড়া তথ্য গুরুত্বসহকারে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি তথ্যদাতা বা অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চান্দিনা থানা কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও সঠিক তথ্যের মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।

চান্দিনায় ইসলামী আন্দোলনের নবগঠিত উপজেলা কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
চান্দিনায় ইসলামী আন্দোলনের নবগঠিত উপজেলা কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা উপজেলা শাখার নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি (২০২৬-২০২৮)-এর শপথ গ্রহণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাদ জোহর আইএবি মিলনায়তনে উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতী ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নবগঠিত কমিটির দায়িত্বশীলদের শপথ গ্রহণ ও পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং আগামী দিনের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মুফতী ইসমাইল হোসাইন। সহ-সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন ও মুফতী সাইফুল ইসলাম। সেক্রেটারি মাওলানা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি আবুজর গিফারী।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ জোবায়ের খান ফরাজী, প্রচার সম্পাদক মাওঃ মাহদী হাসান, দপ্তর সম্পাদক হাসানাত মোঃ মুহিত রনি, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক কারী শাহপরান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ কামাল হোসেন ফরাজী, দাওয়াহ ও জনসংযোগ সম্পাদক মাওলানা আবুল খায়ের, ছাত্র ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক আ ম ম উবাইদুল হক, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাফেজ মিজানুর রহমান এবং নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক ডাঃ সোলাইমান ইব্রাহীম দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন—ডাঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সোলাইমান সরকার, কারী মোহাম্মদ আলী ও হাফেজ মোঃ মোস্তফা কামাল।

সভায় নবগঠিত কমিটির দায়িত্বশীলরা সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে চান্দিনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে চান্দিনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখা। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মিষ্টিমুখ করানো হয়।

সম্প্রতি আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখার সভাপতি মুহা. সাব্বির আহমাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এইচএম শোয়াইব আহমাদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি এইচএম শাহ জালাল। প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা উত্তরের সভাপতি আ ম ম উবায়দুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।

বক্তারা জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শুধু একাডেমিক সাফল্য নয়, ভবিষ্যৎ জীবনে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও আদর্শিক মূল্যবোধ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতাকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগানোরও আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।