শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ভোটের হাওয়ায় থমথমে কিশোরগঞ্জ; নির্বাচনী কাউন্টডাউন চললেও মাঠে নেই নির্বাচনী আমেজ

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভোটের হাওয়ায় থমথমে কিশোরগঞ্জ;  নির্বাচনী কাউন্টডাউন চললেও মাঠে নেই নির্বাচনী আমেজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সামনে রেখে দেশজুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ার কথা থাকলেও কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে এখনো ভোটের কোনো দৃশ্যমান হাওয়া লাগেনি। নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও ১১ দলীয় জোট ও স্বতন্ত্রসহ অনেক প্রতিদ্বন্ধীর নেই পোস্টার, নেই বিলবোর্ড, নেই নির্বাচনী অফিস। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রচারণা প্রায় অনুপস্থিত। ফলে ভোটারদের মধ্যে বাড়ছে সংশয়—আদৌ কি নির্বাচন হবে, নাকি সবকিছু আগেই নির্ধারিত?

জেলার বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দশ-দলীয় জোটসহ একাধিক রাজনৈতিক দল প্রার্থী ঘোষণা করলেও মাঠপর্যায়ে তাদের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো নয়। জোটগতভাবে কোথাও সভা-সমাবেশ, মিছিল কিংবা ভোট চাইতে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না। বিএনপির যেসব আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে, সেখানেও পরিস্থিতি অনেকটা একই রকম।

ইতোমধ্যে বিএনপি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে রেজাউল করিম খান চুন্নু ও শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে বহিষ্কার করেছে। কিশোরগঞ্জ সদর আসনে দলীয় প্রার্থী মাজহারুল ইসলামের বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থী চুন্নুর পক্ষে যারা শুরুতে সক্রিয় ছিলেন, তারাও একে একে নীরব হয়ে পড়ছেন কিংবা মূল দলের পক্ষেই কাজ করছেন। এতে করে এই আসনে নির্বাচন একতরফা হয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় রাজনীতি-সচেতন মহলের ধারণা। কিন্তু ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ হাদীকে একেবারে ফেলে দেয়া যাবে না। জামায়াতের ভোটব্যাংক তাঁকেও শক্তিশালী করবে। এখানেও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

নিকলী–বাজিতপুর আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল মাঠে থাকলেও প্রকাশ্যে তার পক্ষে প্রচারণা সীমিত। এর মধ্যে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে ১৭ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। দল থেকে বহিষ্কারের আশঙ্কায় অনেক নেতাকর্মী গোপনে সমর্থন দিচ্ছেন, যা নির্বাচনী পরিবেশকে আরও নিস্তেজ করে তুলছে।

করিমগঞ্জ–তাড়াইল আসনে দীর্ঘদিন জাতীয় পার্টির সাবেক প্রভাবশালী নেতা মজিবুল হক চুন্নু সংসদ সদস্য ছিলেন এবং এলাকায় তার একটি শক্ত ভোটব্যাংক ছিল। কিন্তু এবার দলীয় কোন্দলের কারণে তিনি লাঙল প্রতীক না পাওয়ায় কার্যত মাঠে কোন উৎসাহ উদ্দীপনা নেই। এই সুযোগে বিএনপির সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম. ওসমান ফারুক ও জামায়াতের শীর্ষ নেতা ডা. জেহাদ খানের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে।

যদিও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মো. আবু বকর ছিদ্দিক মাঠে রয়েছেন এবং তিনি নির্বাচনে একটি বড় ফ্যাক্টর হতে পারতেন, তবে বাস্তবতায় চুন্নু বা জাতীয় পার্টির বড় নিজস্ব ভোটব্যাংকের একটি অংশ তাড়াইল উপজেলার সাবেক উপজেলা ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের নেতৃত্বে ড. এম. ওসমান ফারুককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়ায় সেই সম্ভাবনা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। তারা বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করুন আর না করুন, এই শুভেচ্ছা বিনিময় ড. এম. ওসমান ফারুককে এগিয়ে রাখছে বলেই রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া কিশোরগঞ্জ–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফজলুর রহমান এবং কিশোরগঞ্জ–৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর) আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলমের বিজয় প্রায় নিশ্চিত বলেই স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে।

কিশোরগঞ্জ–২ (পাকুন্দিয়া–কটিয়াদী) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম থাকায় বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনের সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া সাবেক বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য মো. আনিসুজ্জামান খোকন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ময়ূর প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির বহিষ্কৃত সাবেক সাংসদ মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের হয়ে প্রকাশ্যে যোগদান ও নির্বাচনী প্রচারণা চালানোয় এই আসনটি বিএনপির জন্য কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতি-সচেতনরা।

এবার নির্বাচনে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার সুযোগ থাকলেও কিশোরগঞ্জের কোনো আসনেই উল্লেখযোগ্য ডিজিটাল প্রচার চোখে পড়েনি। ফেসবুক, ইউটিউব বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে প্রার্থীদের উপস্থিতি খুবই সীমিত, যা অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় নগণ্য।

কিশোরগঞ্জ ঐতিহ্যগতভাবেই শান্তিপূর্ণ কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের জন্য পরিচিত। এমনকি বিগত ফ্যাসিবাদী আমলেও এখানে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচন ছিল জমজমাট। সেই অভিজ্ঞতার কারণে এখানকার ভোটাররা বরাবরই নির্বাচনকেন্দ্রিক আগ্রহী ছিলেন। অথচ এবার সারাজেলায় পৌর এলাকাসহ কোথাও তেমন কোনো প্রার্থীর প্রচারণা চোখে পড়ছে না। প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে নির্বাচনী অফিস করার অনুমতি থাকলেও বাস্তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জামায়েতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীর তা নেই বললেই চলে।

নিয়ম অনুযায়ী দেয়ালে পোস্টার লাগানো নিষিদ্ধ হলেও বিলবোর্ড ও ফেস্টুন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু ভোটের মাস শুরু হলেও কোনো প্রার্থীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিলবোর্ড বা ফেস্টুন চোখে পড়েনি। তবে সরকারি দপ্তরগুলো এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। প্রায় সব সরকারি ভবনে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে বড় বড় ড্রপডাউন ব্যানার ঝুলছে। পৌরসভার পক্ষ থেকেও শহরের বিভিন্ন স্থানে একই ধরনের বিলবোর্ড ও ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি কিশোরগঞ্জ সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে বেড়াচ্ছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাঠপর্যায়ের দপ্তরগুলোও গণভোটের পক্ষে প্রচারণায় ব্যস্ত। সম্প্রতি উপজেলা মডেল মসজিদের মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের নিয়ে গণভোটের পক্ষে বিশেষ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরেজমিনে অসংখ্য কেন্দ্র পরিদর্শনে দেখা গেছে, অধিকাংশ জায়গায় প্রচার কমিটি, নির্বাচনী অফিস কিংবা সাংগঠনিক প্রস্তুতির কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন নেই। অনেক প্রার্থীই যেন ধরে নিয়েছেন—নির্বাচন হলে তারা নিশ্চিতভাবেই জয়ী হবেন।

নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় ছাপাখানাগুলোর অবস্থাও হতাশাজনক। তারা জানায়, এ পর্যন্ত ছাপা হওয়া ব্যানার ও ফেস্টুনের প্রায় ৯৫ শতাংশই সরকারি দপ্তরের গণভোটসংক্রান্ত। প্রার্থীদের প্রচার সামগ্রী না থাকায় তাদের ব্যবসা চরম মন্দার মধ্যে পড়েছে, যা অতীতের কোনো নির্বাচনে দেখা যায়নি।

সব মিলিয়ে কিশোরগঞ্জে নির্বাচনী আমেজ দিন দিন ফিকে হয়ে যাচ্ছে। এমনকি অনেক পরিবার নির্বাচনকালীন টানা চার দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে আগেভাগেই ভ্রমণের পরিকল্পনা শুরু করেছে। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ভাঙছে নীরবতা—আর সেই ধীরগতির নীরবতার মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে কিশোরগঞ্জের ভোটারদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—শেষ মুহূর্তে কি ফিরবে পরিচিত নির্বাচনী উত্তাপ, নাকি ইতিহাসে যুক্ত হবে এক নীরব নির্বাচনের অধ্যায়?

আনুষ্ঠানিক প্রচারণার প্রথম দিন ২২ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান কিশোরগঞ্জে সমাবেশ করলেও তা সারা জেলায় তেমন নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি করতে পারেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভৈরবে অনুষ্ঠিত ওই সমাবেশটি অনেকটাই সিলেট থেকে ঢাকা ফেরার পথে যাত্রাবিরতির মতো ছিল। তাদের মতে, জেলা-ব্যাপী নির্বাচনী বার্তা দিতে হলে সমাবেশটি ভৈরবের এক কোণে না হয়ে কিশোরগঞ্জ শহরেই হওয়া উচিত ছিল।

এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি শক্ত অবস্থান তৈরির পরিকল্পনায় আজ ৩ ফেব্রুয়ারি দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ আগমনের কারণে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আমিরে জামায়াতের এই সফর জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের নির্বাচনী প্রচারণাকে শেষ মুহূর্তে ত্বরান্বিত করতে পারে।

 

মাদকবিরোধী অভিযানে চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ণ
মাদকবিরোধী অভিযানে চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কুমিল্লার চান্দিনা থানায় অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যের বিক্রয়, সরবরাহ, সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চান্দিনা উপজেলার কোনো এলাকায় মাদকদ্রব্যের বিক্রয়, সরবরাহ, সেবন কিংবা মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানা থাকলে সাধারণ মানুষ লিখিতভাবে তা থানায় স্থাপিত অভিযোগ বক্সে জমা দিতে পারবেন।

থানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগ বক্সে জমা পড়া তথ্য গুরুত্বসহকারে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি তথ্যদাতা বা অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে চান্দিনা থানা কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও সঠিক তথ্যের মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।

চান্দিনায় ইসলামী আন্দোলনের নবগঠিত উপজেলা কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
চান্দিনায় ইসলামী আন্দোলনের নবগঠিত উপজেলা কমিটির শপথ ও পরিচিতি সভা

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা উপজেলা শাখার নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি (২০২৬-২০২৮)-এর শপথ গ্রহণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাদ জোহর আইএবি মিলনায়তনে উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতী ইসমাইল হোসাইনের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় নবগঠিত কমিটির দায়িত্বশীলদের শপথ গ্রহণ ও পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূল পর্যায়ে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং আগামী দিনের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মুফতী ইসমাইল হোসাইন। সহ-সভাপতি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন ও মুফতী সাইফুল ইসলাম। সেক্রেটারি মাওলানা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া এবং জয়েন্ট সেক্রেটারি আবুজর গিফারী।

এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ জোবায়ের খান ফরাজী, প্রচার সম্পাদক মাওঃ মাহদী হাসান, দপ্তর সম্পাদক হাসানাত মোঃ মুহিত রনি, অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক কারী শাহপরান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওঃ কামাল হোসেন ফরাজী, দাওয়াহ ও জনসংযোগ সম্পাদক মাওলানা আবুল খায়ের, ছাত্র ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক আ ম ম উবাইদুল হক, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাফেজ মিজানুর রহমান এবং নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক ডাঃ সোলাইমান ইব্রাহীম দায়িত্ব পেয়েছেন।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন—ডাঃ আরিফুল ইসলাম, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ সোলাইমান সরকার, কারী মোহাম্মদ আলী ও হাফেজ মোঃ মোস্তফা কামাল।

সভায় নবগঠিত কমিটির দায়িত্বশীলরা সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে চান্দিনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে চান্দিনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখা। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের মিষ্টিমুখ করানো হয়।

সম্প্রতি আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখার সভাপতি মুহা. সাব্বির আহমাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এইচএম শোয়াইব আহমাদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি এইচএম শাহ জালাল। প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা উত্তরের সভাপতি আ ম ম উবায়দুল হক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া।

বক্তারা জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শুধু একাডেমিক সাফল্য নয়, ভবিষ্যৎ জীবনে নৈতিকতা, দেশপ্রেম ও আদর্শিক মূল্যবোধ ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতাকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগানোরও আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চান্দিনা থানা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।