শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

নীরব রাতের শ্রদ্ধা: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে তারেক রহমানের বিরল সফর

হেলাল মুন্সী, গোপালগঞ্জ। প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নীরব রাতের শ্রদ্ধা: টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে তারেক রহমানের বিরল সফর

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু ঘটনা আলোচিত হলেও কিছু অধ্যায় আড়ালে থেকে যায়। তেমনই একটি ঘটনা ঘটেছিল ২০০৫ সালের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে, যা সে সময় ব্যাপক প্রচারে না এলেও রাজনৈতিক মহলে নীরবে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি গোপালগঞ্জে একটি ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনে অংশ নেন বিএনপির সিনিয়র নেতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পুত্র তারেক রহমান। দিনভর রাজনৈতিক কর্মসূচি শেষে ঢাকায় ফেরার কথা থাকলেও সফরের এক পর্যায়ে তিনি হঠাৎ করেই গাড়িবহর ঘুরিয়ে নেন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার দিকে, যেখানে অবস্থিত জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ।

রাত গভীর, চারপাশ নীরব। সেই সময় তিনি সমাধিসৌধ প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে সমাধির খাদেমকে ডেকে ফাতেহা পাঠ ও দোয়া করেন। জানা যায়, তিনি সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থান করেন। এই সিদ্ধান্তে সফরসঙ্গীদের অনেকেই বিস্মিত হন, কারণ বিএনপির স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় অনেক নেতা-কর্মীই আগে থেকে জানতেন না যে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন। ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ তাৎক্ষণিক ও সীমিত পরিসরের।

স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতার প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু একজন জাতীয় নেতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি; দেশের জন্য তাঁর অবদান রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, তিনিও একজন সাবেক রাষ্ট্রপতির সন্তান। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় ইতিহাস ও নেতৃত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন—এমন বার্তাই সে রাতে প্রতিফলিত হয়েছিল বলে উপস্থিতদের অনেকে মনে করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে যেখানে বিরোধ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রবল, সেখানে ভিন্ন রাজনৈতিক ধারার একজন শীর্ষ নেতার এ ধরনের নীরব ও নিঃশব্দ শ্রদ্ধা প্রদর্শন বিরল ঘটনা হিসেবেই বিবেচিত হয়। যদিও ঘটনাটি তখন ব্যাপক প্রচারে আসেনি, পরবর্তীতে এটি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমান বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে সক্রিয় রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তারেক রহমান দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অতীতের এই সহমর্মিতামূলক আচরণ তার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের একটি ভিন্ন দিক তুলে ধরে- যা ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার চর্চায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় এমন মুহূর্তগুলো স্মরণ করিয়ে দেয়—ইতিহাস ও জাতীয় নেতৃত্বের প্রশ্নে কখনো কখনো দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে ব্যক্তিগত সম্মানবোধের প্রকাশও দেখা যায়।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে চান্দিনায় জামায়াতের মিছিল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে চান্দিনায় জামায়াতের মিছিল

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে কুমিল্লার চান্দিনায় সমাবেশ ও গণমিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে চান্দিনা মোকামবাড়ি থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্টেশনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুমিল্লা উত্তর জেলা শাখার নায়েবে আমীর অধ্যাপক আল মগীর সরকার। এ সময় জেলা, উপজেলা ও পৌর জামায়াত, ছাত্রশিবির এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন।

যোগদানের প্রথম মাসেই জেলার সেরা এএসআই মোস্তফা কামাল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
যোগদানের প্রথম মাসেই জেলার সেরা এএসআই মোস্তফা কামাল

চান্দিনা থানায় যোগদানের প্রথম মাসেই কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোস্তফা কামাল।

সম্প্রতি কুমিল্লা জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ওয়ারেন্ট বাস্তবায়নে বিশেষ অবদানের জন্য তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। কুমিল্লার পুলিশ সুপার তাঁর হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর অল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ওয়ারেন্ট তামিল করে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রশংসা অর্জন করেন। এএসআই মোস্তফা কামাল বলেন, এই স্বীকৃতি তাঁকে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনগণের সেবায় কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।

বাংলাদেশিদের জন্য দ্রুত ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার তাগিদ ভারতের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিদের জন্য দ্রুত ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার তাগিদ ভারতের

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করতে ভারত সরকারকে তাগিদ দিয়েছে দেশটির একটি সংসদীয় কমিটি। ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ বিষয়ক প্রতিবেদনে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিটি বলেছে, দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও জনগণের যোগাযোগ বজায় রাখতে স্বাভাবিক ভিসাসেবা জরুরি। একই সঙ্গে ভিসানীতি পর্যালোচনা, আবেদনকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং বৈধ ভ্রমণকারীদের ভোগান্তি কমাতে দ্বিপক্ষীয় কনস্যুলার সহযোগিতা ব্যবস্থা গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের পাঁচটি ভিসাকেন্দ্র থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০ ভিসা দেওয়া হচ্ছে, যার প্রায় ৮০ শতাংশ চিকিৎসা ভিসা।