বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

১ টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিলে সংসদ থেকে ইস্তফা দেবো: হাসনাত আবদুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
১ টাকার দুর্নীতির প্রমাণ দিলে সংসদ থেকে ইস্তফা দেবো: হাসনাত আবদুল্লাহ

জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করার এক নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। নিজের বিরুদ্ধে মাত্র “এক টাকার” দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে তিনি সংসদ সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলে ঘোষণা করেছেন।

​চলতি বাজেটের ওপর আলোচনা চলাকালে সংসদের ২৭৪ বিধি অনুসারে ব্যক্তিগত কৈফিয়ত দিতে দাঁড়িয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ এই চ্যালেঞ্জ জানান।

​বরাদ্দ নিয়ে বিভ্রান্তির অবসান

​এর আগে একটি বক্তব্যে বরাদ্দ চাওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন:

​”আমি আমার বক্তব্যের কোথাও এই শব্দ উচ্চারণ করিনি বা এই বাক্য বলিনি যে, আমাকে যেন বরাদ্দ বঞ্চিত না করা হয়। আমি বলেছি—আমার বক্তব্যের কারণে আমার এলাকার মানুষকে যেন কোনো কারণে বঞ্চিত না করা হয়।”

​সরকারি দলকে গোয়েন্দা তদন্তের আহ্বান

​সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জুলাই বিপ্লব ও আন্দোলন সংশ্লিষ্টদের লক্ষ্য করে সংসদে কিছু কটূক্তি করা হয়েছে। তাদের ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে যে, তারা আগে রিকশায় চড়তেন এবং এখন গাড়িতে চড়েন।

​এই বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারের সমস্ত গোয়েন্দা সংস্থা তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি সরকারি দলকে উদ্দেশ্য করে বলেন:

  • ​তদন্তের তাগিদ: দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে শুধু ঢালাও অভিযোগ (এলিগেশন) না তুলে সরাসরি তদন্ত করুন।
  • ​সংস্থাগুলোর ব্যবহার: ডিজিএফআই, এনএসআই, পুলিশ এবং মিলিটারি—সব সংস্থাই এখন সরকারের অধীনে। এগুলো ব্যবহার করে সত্য উদ্ঘাটন করুন।
  • ​চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জ: “আপনাদের তদন্তে যদি আমার বিরুদ্ধে ১ টাকার দুর্নীতি বা ১ টাকার কোনো ধরনের অসৎ উপায়ের প্রমাণ মিলতে পারে, তবে আমরা এই সংসদ থেকে ইস্তফা দেবো।”

​ডেপুটি স্পিকারের কাছ থেকে ১ মিনিটের বিশেষ সময় নিয়ে দেওয়া এই সংক্ষিপ্ত ও জোরালো বক্তব্যটি সংসদ অধিবেশনে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

চান্দিনা বাজারে ড্রেনের ময়লা রাস্তায় ফেলা নিয়ে ক্ষোভ, পরিচ্ছন্নতা পদ্ধতি পরিবর্তনের দাবি মেয়র পদপ্রার্থী ফজলুল সাত্তারের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনা বাজারে ড্রেনের ময়লা রাস্তায় ফেলা নিয়ে ক্ষোভ, পরিচ্ছন্নতা পদ্ধতি পরিবর্তনের দাবি মেয়র পদপ্রার্থী ফজলুল সাত্তারের

কুমিল্লার চান্দিনা পৌরসভার বাজার এলাকায় ড্রেন পরিষ্কারের পর ময়লা রাস্তায় ফেলে রাখায় পথচারী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ড্রেন পরিষ্কারের বর্তমান পদ্ধতি পরিবর্তন করে তাৎক্ষণিকভাবে ময়লা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন চান্দিনা পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ফজলুল সাত্তার।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ড্রেন পরিষ্কারের সময় ময়লা রাস্তায় ফেলে রাখার পরিবর্তে তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ করা জরুরি। বিশেষ করে তরল প্রকৃতির ময়লা প্লাস্টিকের কাটা হাফড্রামে সংগ্রহ করে ট্রলি বা ট্রাক্টরের মাধ্যমে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ফজলুল সাত্তার মনে করেন, ড্রেন পরিষ্কারের নামে পরিবেশ দূষণ ও পথচারীদের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ বিষয়ে কয়েক দিন পর LAISE প্রশিক্ষণ শেষ হলে সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

পোস্টে আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভার প্রতিটি খাতে আধুনিক পদ্ধতি চালুর প্রতিশ্রুতিও দেন ফজলুল সাত্তার। নিজেকে একজন শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, পৌরবাসীর সেবা করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল নয়।

এ ছাড়া চাঁদাবাজি, সালিস-দরবারে ঘুষ বাণিজ্য এবং দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচারসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। এসব অনিয়ম বন্ধ করে পৌরবাসীর জন্য একটি সেবামুখী পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই মেয়র পদপ্রার্থী।

চান্দিনা পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়ে তাঁর এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের মাধ্যমে ড্রেনের ময়লা ব্যবস্থাপনা ও জনদুর্ভোগের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

চান্দিনায় কেরনখাল ইউনিয়নের ৮ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি আতিকুল আলম শাওন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনায় কেরনখাল ইউনিয়নের ৮ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি আতিকুল আলম শাওন

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন কেরনখাল ইউনিয়নের ৮টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান এমপি আতিকুল আলম শাওন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পূজার উপহার হিসেবে পূজামণ্ডপগুলোতে শাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

শুভেচ্ছা বার্তায় আতিকুল আলম শাওন সবার জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সম্প্রীতি বয়ে আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট থাকার কামনা করেন।

রিয়াদের বিমানবন্দর ও সৌদি উড়োজাহাজে হামলা, নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ
রিয়াদের বিমানবন্দর ও সৌদি উড়োজাহাজে হামলা, নিহত ৩

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সৌদি এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের সবাই সৌদি নাগরিক। তাঁদের মধ্যে সৌদি এয়ারলাইনসের একজন ক্যাপ্টেনও রয়েছেন। এ ঘটনায় বিভিন্ন দেশের আরও কয়েকজন নাগরিক আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর ও উড়োজাহাজটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। তবে হামলার জন্য কারা দায়ী, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কিছু জানানো হয়নি।

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা এর আগে রিয়াদ বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছিল।

নিহত ক্যাপ্টেনের নাম হামুদ আলী আলকালথামি বলে জানিয়েছে সৌদি এয়ারলাইনসের মূল প্রতিষ্ঠান সৌদিয়া গ্রুপ। সংস্থাটি জানায়, হামলার সময় তাদের একটি উড়োজাহাজ বিমানবন্দরে অবস্থান করছিল। উড়োজাহাজটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না। তবে হামলায় এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের প্রতিবেশী দেশগুলোর মিত্রবাহিনী গত সপ্তাহান্তে হুতিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর পর এটিই দেশটিতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। নতুন অভিযান শুরুর পর সৌদি আরবের জাতীয় বিমান সংস্থার উড়োজাহাজে হামলার এটিই প্রথম নিশ্চিত ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের কারও আঘাত সামান্য, আবার কারও অবস্থা গুরুতর।