আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার: একটি বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের অবসান
২০১০ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে নিউ ইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, ১৬ বছর পর সেই একই মাঠেই শেষ হলো নেইমার জুনিয়রের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে ব্রাজিলের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন সেলেসাওদের এই ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ’
ম্যাচ শেষে ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা ফরোয়ার্ড অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে নিজের অবসরের সিদ্ধান্ত জানান। তিনি বলেন:
”আমি চেষ্টা করেছি। নিজের সর্বোচ্চটাই দিয়েছি। মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই আমার পথচলা শুরু হয়েছিল, আর এখানেই শেষ হলো। এখন সব শেষ।”
ইনজুরি জর্জরিত শেষ বিশ্বকাপ
এবারের বিশ্বকাপে পুরোপুরি ফিট না হয়েও দলের প্রয়োজনে চোট নিয়ে এসেছিলেন নেইমার। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র দুটি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। গ্রুপপর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে খেলেছিলেন মাত্র ১৪ মিনিট। আর নরওয়ের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচে মাঠে নামেন ৬৭ মিনিটে। ম্যাচের যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমালেও দলের হার এড়াতে পারেননি। তবে এই গোলটিই হয়ে থাকল আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তার ৮০তম এবং শেষ গোল।
২০১৬ সালে ঘরের মাঠে রিও অলিম্পিকে ব্রাজিল ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে দেশকে প্রথমবারের মতো অলিম্পিক স্বর্ণপদক এনে দেওয়া ছিল নেইমারের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা গৌরবময় অধ্যায়। নেইমারের বিদায়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের ফুটবলে একটি সোনালী প্রজন্মের সমাপ্তি ঘটল।













