বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

উমরা পালনের আগে যে বিষয়গুলো ভাবা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:০১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
উমরা পালনের আগে যে বিষয়গুলো ভাবা জরুরি

উমরা ইসলাম ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ ইবাদত। এর মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে বান্দার নতুন সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং গুনাহ থেকে ক্ষমা লাভের সুযোগ সৃষ্টি হয়। প্রতি বছর বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে মুসলমানরা মক্কায় গিয়ে এই পবিত্র ইবাদতে অংশ নেন। তবে উমরার মতো আত্মিক সফরে যাওয়ার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চিন্তা ও প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

নিয়ত শুদ্ধ করা:
উমরার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়তকে পরিশুদ্ধ করা। কোরআনে বলা হয়েছে, “তাদেরকে আদেশই করা হয়েছিল যে তারা যেন আল্লাহর ইবাদত করে, তার প্রতি একনিষ্ঠ হয়ে।” (সূরা আল-বায়্যিনাহ: ৫)।
অতএব, উমরা করার উদ্দেশ্য যেন একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়—খ্যাতি বা সামাজিক স্বীকৃতির জন্য নয়।

ক্ষমা প্রার্থনা:
নবী করিম (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি হজ বা উমরা করল এবং কোনো অশ্লীল কথা বা গুনাহর কাজে লিপ্ত হলো না, সে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে ফিরে আসে।” (সহিহ বোখারি: ১৫২১)।
উমরার আগে আত্মসমালোচনায় মনোযোগ দিন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার মনোভাব তৈরি করুন।

প্রতিটি আমলের তাৎপর্য অনুধাবন করা:
ইহরাম পরা, কাবা তাওয়াফ করা, সাফা-মারওয়া সাঈ—সবকিছুরই গভীর অর্থ রয়েছে। যেমন হযরত হাজেরা (আ.)-এর অনুসরণে সাঈ করা আমাদের শেখায়, আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখা কীভাবে জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে।

মক্কা ও মদিনার মর্যাদা উপলব্ধি:
এই দুটি শহর শুধু ঐতিহাসিক স্থান নয়, ইসলামের আত্মা। কাবা হলো আল্লাহর ঘর, আর মদিনায় রয়েছে নবী করিম (সা.)-এর রওজা মোবারক। তাই সফরে সর্বোচ্চ বিনয় ও শ্রদ্ধা বজায় রাখা আবশ্যক।

ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতা:
দীর্ঘ যাত্রা, ভিড়, গরম—সবকিছুই সফরের অংশ। এগুলো ধৈর্যধারণের পরীক্ষা, আর ধৈর্যও এক প্রকার ইবাদত। প্রতিটি কষ্ট গুনাহ মোচনের পথ খুলে দেয়।

দোয়া ও জিকিরে ব্যস্ত থাকা:
উমরার প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহর স্মরণ ও দোয়া করুন—নিজ, পরিবার, উম্মাহ ও মানবতার কল্যাণে। এটি আল্লাহর রহমত পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম।

বিনয় ও কৃতজ্ঞতা:
উমরার সুযোগ পাওয়া মহান নেয়ামত। নবী করিম (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার কবর জিয়ারত করে, সে যেন আমার জীবিত অবস্থায় আমাকে সাক্ষাৎ করল।” (সহিহ বোখারি)।
এই সফরকে আল্লাহর অনুগ্রহ হিসেবে গ্রহণ করুন এবং জীবনের পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখুন।

আত্মিক পরিবর্তনের প্রস্তুতি:
উমরা শুধুই একটি ধর্মীয় সফর নয়—এটি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং মানুষকে আল্লাহর পথে পরিচালিত করে। চেষ্টা করুন যেন এই সফর আপনাকে এক নতুন মানুষে রূপান্তরিত করে।

সকালবেলা/আর.এন

চান্দিনা বাজারে ড্রেনের ময়লা রাস্তায় ফেলা নিয়ে ক্ষোভ, পরিচ্ছন্নতা পদ্ধতি পরিবর্তনের দাবি মেয়র পদপ্রার্থী ফজলুল সাত্তারের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনা বাজারে ড্রেনের ময়লা রাস্তায় ফেলা নিয়ে ক্ষোভ, পরিচ্ছন্নতা পদ্ধতি পরিবর্তনের দাবি মেয়র পদপ্রার্থী ফজলুল সাত্তারের

কুমিল্লার চান্দিনা পৌরসভার বাজার এলাকায় ড্রেন পরিষ্কারের পর ময়লা রাস্তায় ফেলে রাখায় পথচারী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ড্রেন পরিষ্কারের বর্তমান পদ্ধতি পরিবর্তন করে তাৎক্ষণিকভাবে ময়লা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন চান্দিনা পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ফজলুল সাত্তার।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ড্রেন পরিষ্কারের সময় ময়লা রাস্তায় ফেলে রাখার পরিবর্তে তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ করা জরুরি। বিশেষ করে তরল প্রকৃতির ময়লা প্লাস্টিকের কাটা হাফড্রামে সংগ্রহ করে ট্রলি বা ট্রাক্টরের মাধ্যমে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ফজলুল সাত্তার মনে করেন, ড্রেন পরিষ্কারের নামে পরিবেশ দূষণ ও পথচারীদের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ বিষয়ে কয়েক দিন পর LAISE প্রশিক্ষণ শেষ হলে সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

পোস্টে আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভার প্রতিটি খাতে আধুনিক পদ্ধতি চালুর প্রতিশ্রুতিও দেন ফজলুল সাত্তার। নিজেকে একজন শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, পৌরবাসীর সেবা করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল নয়।

এ ছাড়া চাঁদাবাজি, সালিস-দরবারে ঘুষ বাণিজ্য এবং দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচারসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। এসব অনিয়ম বন্ধ করে পৌরবাসীর জন্য একটি সেবামুখী পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই মেয়র পদপ্রার্থী।

চান্দিনা পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়ে তাঁর এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের মাধ্যমে ড্রেনের ময়লা ব্যবস্থাপনা ও জনদুর্ভোগের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

চান্দিনায় কেরনখাল ইউনিয়নের ৮ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি আতিকুল আলম শাওন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:১৫ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনায় কেরনখাল ইউনিয়নের ৮ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি আতিকুল আলম শাওন

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন কেরনখাল ইউনিয়নের ৮টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) নিজের ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান এমপি আতিকুল আলম শাওন।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পূজার উপহার হিসেবে পূজামণ্ডপগুলোতে শাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

শুভেচ্ছা বার্তায় আতিকুল আলম শাওন সবার জীবনে সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও সম্প্রীতি বয়ে আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট থাকার কামনা করেন।

রিয়াদের বিমানবন্দর ও সৌদি উড়োজাহাজে হামলা, নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ
রিয়াদের বিমানবন্দর ও সৌদি উড়োজাহাজে হামলা, নিহত ৩

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সৌদি এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের সবাই সৌদি নাগরিক। তাঁদের মধ্যে সৌদি এয়ারলাইনসের একজন ক্যাপ্টেনও রয়েছেন। এ ঘটনায় বিভিন্ন দেশের আরও কয়েকজন নাগরিক আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর ও উড়োজাহাজটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। তবে হামলার জন্য কারা দায়ী, সে বিষয়ে বিবৃতিতে কিছু জানানো হয়নি।

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা এর আগে রিয়াদ বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছিল।

নিহত ক্যাপ্টেনের নাম হামুদ আলী আলকালথামি বলে জানিয়েছে সৌদি এয়ারলাইনসের মূল প্রতিষ্ঠান সৌদিয়া গ্রুপ। সংস্থাটি জানায়, হামলার সময় তাদের একটি উড়োজাহাজ বিমানবন্দরে অবস্থান করছিল। উড়োজাহাজটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না। তবে হামলায় এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ও ইয়েমেনের প্রতিবেশী দেশগুলোর মিত্রবাহিনী গত সপ্তাহান্তে হুতিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর পর এটিই দেশটিতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। নতুন অভিযান শুরুর পর সৌদি আরবের জাতীয় বিমান সংস্থার উড়োজাহাজে হামলার এটিই প্রথম নিশ্চিত ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের কারও আঘাত সামান্য, আবার কারও অবস্থা গুরুতর।