মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে ভারতের ওপরে টাইগাররা

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

শাহীন আলম প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। এর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশের কীর্তি গড়ল টাইগাররা।

এই জয়ের ফলে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট টেবিলেও বড় অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের। পয়েন্ট তালিকায় ভারতকে পেছনে ফেলে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে এসেছে টাইগাররা।

মঙ্গলবার ম্যাচের পঞ্চম দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল আরও ১৬৩ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। তবে দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের বোলাররা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেন। বিশেষ করে স্পিনার তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৭৮ (লিটন দাস ১২৬); পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ২৩২; বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ৩৯০ (মুশফিকুর রহিম ১৩৭); পাকিস্তান ২য় ইনিংস: ৩৫৮ (মোহাম্মদ রিজওয়ান ৯৪, সালমান আলী আগা ৭১; তাইজুল ইসলাম ৬/১২০) ফল: বাংলাদেশ ৭৮ রানে জয়ী।

৪০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আগের দিনই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। শেষ দিনে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলী আগা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে রিজওয়ানকে ৯৪ রানে ফিরিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন শরিফুল ইসলাম।

এরপর ম্যাচ পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যান তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট শিকার করেন। ম্যাচে তার মোট শিকার ৯ উইকেট।

বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তি গড়ে দেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। প্রথম ইনিংসে লিটনের ১২৬ রানের ইনিংসে লড়াইয়ে ফিরে বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকের ১৩৭ রানের ইনিংসে পাকিস্তানের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করায় স্বাগতিকরা।

ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স এবং ফিল্ডারদের দৃঢ়তায় পুরো ম্যাচেই আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ জয়ের পর ঘরের মাঠেও একই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, এটি দেশের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য।

ঐতিহাসিক এই জয়ের পর সিলেট স্টেডিয়ামে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দর্শকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ দল।

চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর যাত্রায় ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রয়েল মিয়ার শুভেচ্ছা)।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর যাত্রায় ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রয়েল মিয়ার শুভেচ্ছা)।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হওয়ায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ৬নং বাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রয়েল মিয়া (রাফি)। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পোর্টালটির সম্মানিত সম্পাদক, প্রকাশক, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই শুভ ক্ষণে শুভকামনা জানান।

​চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রয়েল মিয়া (রাফি) বলেন,

​”‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ নামে নতুন একটি নিউজ পোর্টালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি শুধু একটি ওয়েবসাইটের উদ্বোধন নয়, বরং চান্দিনার মাটি ও মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার এক নতুন প্রত্যয় হিসেবে কাজ করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।”

​ডিজিটাল যুগের চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ তাৎক্ষণিক, নির্ভুল এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রত্যাশা করে। চান্দিনার সুখ-দুঃখ, স্থানীয় সমস্যা ও অমিত সম্ভাবনার কথা সারা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

​শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, “সত্য প্রকাশে আপোষহীন”—এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে পোর্টালটি খুব দ্রুতই চান্দিনাবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নেবে এবং সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করবে।

​সর্বশেষে, তিনি ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ পরিবারের সবার উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং বলেন, “চান্দিনা এক্সপ্রেস এগিয়ে যাক, চান্দিনার মানুষের কথা বলুক।”

“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।” — মাওলানা মুহাম্মদ মাহদী হাসান তরুণ আলেম, সংগঠক ও সমাজসেবক

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।” — মাওলানা মুহাম্মদ মাহদী হাসান তরুণ আলেম, সংগঠক ও সমাজসেবক

“সাহসিকতার সাথে সত্য সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধপরিকর”
জনপদের প্রতিটি সমস্যা, সম্ভাবনা, সুখ-দুঃখ এবং সাধারণ মানুষের মনের আকুতি জনকণ্ঠ হয়ে তুলে ধরতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে চান্দিনা এক্সপ্রেস।
সত্য, ন্যায় ও বস্তুনিষ্ঠতার আলোকে সংবাদ পরিবেশন করে জনগণের আস্থা অর্জন করাই একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের মূল লক্ষ্য। অবহেলিত মানুষের কথা, সমাজের বাস্তব চিত্র এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নির্ভীকভাবে তুলে ধরে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে চান্দিনা এক্সপ্রেস।
একটি গণমাধ্যম কেবল সংবাদ পরিবেশন করে না; বরং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন, সচেতনতা ও উন্নয়নের পথকে আরও সুগম করে। ন্যায়নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনবান্ধব সাংবাদিকতার আদর্শ ধারণ করে চান্দিনা এক্সপ্রেস আগামী দিনে আরও সমৃদ্ধ ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে—এই প্রত্যাশা রাখি।
“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।”

উন্মাদনার ফুটবল বনাম ক্ষুধার পৃথিবী: খোলস-মানুষের চশমায় ঢাকা মনুষ্যত্ব

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
উন্মাদনার ফুটবল বনাম ক্ষুধার পৃথিবী: খোলস-মানুষের চশমায় ঢাকা মনুষ্যত্ব

একদিকে মাঠের সবুজ ঘাসে ২২০ বিলিয়ন ডলারের ঝনঝনানি, অন্যদিকে একবেলা আহারের অপেক্ষায় থাকা কোটি কোটি শিশুর নিস্তব্ধ হাহাকার। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্বকে যেমন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসিয়েছিল, ঠিক তেমনি উন্মোচিত করে দিয়েছে আধুনিক সভ্যতার এক নির্মম ও কুৎসিত বৈপরীত্য।

​জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলির একটি হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার খরচ করলেই পৃথিবীর প্রায় ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের মৌলিক খাদ্যচাহিদা সম্পূর্ণ পূরণ করা সম্ভব। গাণিতিক হিসেবে, কাতার বিশ্বকাপের পেছনে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে, তা দিয়ে বিশ্বের সমগ্র ক্ষুধা অন্তত সাড়ে পাঁচ বছর দূর করা যেত।

​উৎসবের আড়ালে ঢাকা পড়া কঙ্কাল

​যে বিশ্বে প্রতি রাতে কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত পেটে ঘুমাতে যায়, সেই বিশ্বে স্রেফ একটি ২৮ দিনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পেছনে ২২০ বিলিয়ন ডলারের বিপুল অপচয় এক চরম উপহাস। বিশ্বজুড়ে কর্পোরেট পরাশক্তি, গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থা কতটা বিবেকহীন ও ভোগবাদী মানসিকতায় আক্রান্ত। একটি খেলার আনন্দ কোটি প্রাণ বাঁচানোর চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে তথাকথিত এই ‘সভ্য’ সমাজে।