মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

স্কুলগামী ১,৫০০ শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি: বাজিতপুরের রশি মার্কেটে জমে আছে ময়লার স্তূপ

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্কুলগামী ১,৫০০ শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি: বাজিতপুরের রশি মার্কেটে জমে আছে ময়লার স্তূপ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌর এলাকার রশি মার্কেট সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ গলির সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন যত্রতত্র আবর্জনা ফেলার কারণে এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সড়ক ব্যবহারকারী প্রায় ১,৫০০ স্কুলগামী শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যঝুঁকি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রশি মার্কেটের ভেতরের এই গলিপথটি বাজিতপুর শহরের অন্যতম ব্যস্ত চলাচলের রাস্তা। প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, ক্রেতা-বিক্রেতা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এই পথ ব্যবহার করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে ও বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা ফেলা এবং তা অপসারণ না করায় পুরো এলাকা দুর্গন্ধে ছেয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার বিভিন্ন স্থানে স্তূপাকারে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা থেকে অসহনীয় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পচনশীল বর্জ্যের কারণে মাছি, মশা ও বিভিন্ন রোগবাহক পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে। ফলে পথচারীদের নাক চেপে এবং চরম অস্বস্তির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। তখন জমে থাকা আবর্জনা পচে ড্রেনের পানির সঙ্গে মিশে আশপাশের পরিবেশ দূষিত করে। অনেক সময় সড়কের ওপর ময়লা ছড়িয়ে পড়ে, ফলে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তারা উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ময়লা অপসারণ এবং স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের আশ্বাস বাস্তবে কার্যকর না হওয়ায় জনদুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রতিদিন আমাদের সন্তানদের এই দুর্গন্ধযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্য দিয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আমরা চাই দ্রুত এই ময়লার স্তূপ অপসারণ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।”

স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানান, দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতারা অনেক সময় দোকানে আসতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন। এতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য সচেতন নাগরিকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা জমে থাকলে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, চর্মরোগসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও মারাত্মক হতে পারে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তারা নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, নির্দিষ্ট ডাম্পিং ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে এবং দীর্ঘদিনের এই জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।

৩৬ জুলাইয়ের রণক্ষেত্র যাত্রাবাড়ী: স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্টের সেই দিন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
৩৬ জুলাইয়ের রণক্ষেত্র যাত্রাবাড়ী: স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্টের সেই দিন

জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বহু মানুষের আত্মত্যাগ, আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এসেছে বড় পরিবর্তন। শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে এবং মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে এ আন্দোলনে অংশগ্রহণের সুযোগকে সৌভাগ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন অনেকে।

কুমিল্লা থেকে ঢাকার পথে যাত্রা

৫ আগস্ট ভোরে কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন মুফতি শামসুল ইসলাম জিলানী। আমীরে হেফাজতের ঢাকামুখী মহাসমাবেশের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি ঢাকায় আসার সিদ্ধান্ত নেন।

সেদিন গণপরিবহন বন্ধ থাকায় একটি মাইক্রোবাসে যাত্রা শুরু করেন তিনি। কাঁচপুর ব্রিজ এলাকায় বাধার মুখে পড়ার পর বিকল্প পথ ধরে পোস্তগোলা ব্রিজের কাছে পৌঁছান। পরে বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে যাত্রাবাড়ী মাদরাসার আশপাশে অবস্থান নেন এবং কিছু সময়ের জন্য ‘জামিয়াতুল ইমামিল আজম আল ইসলামিয়া’য় আশ্রয় গ্রহণ করেন।

যাত্রাবাড়ীতে সংঘর্ষ ও ভয়াবহ পরিস্থিতি

সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রাবাড়ী এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তিনি জানান, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষ চলাকালে গুলি, সাউন্ড গ্রেনেড ও বিভিন্ন ধরনের আক্রমণের ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে অনেক মানুষ ঝুঁকির মুখে পড়েন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিজয়ের অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার মুহূর্ত

দুপুরের দিকে সেনাপ্রধানের ভাষণের খবর ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজয়ের প্রত্যাশা তৈরি হয়। হাজার হাজার মানুষ যাত্রাবাড়ী থেকে সামনে এগিয়ে যেতে থাকেন।

তবে একই সময়ে সংঘর্ষ চলতে থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। আহত মানুষদের দেখে অনেকে আবার নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ফিরে যান। এ সময় অনিশ্চয়তা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে তারা দোয়া ও প্রার্থনা করেন।

ফ্লাইওভারে বিজয়ের মুহূর্ত

দুপুরের পর আবারও সামনের দিকে এগিয়ে যান তারা। ফ্লাইওভারের আশপাশে তখনও সংঘর্ষ চলছিল। ঝুঁকি নিয়ে সেখানে পৌঁছানোর পর হাজারো মানুষের সমাগমে বিজয় মিছিল শুরু হয়।

তিনি জানান, পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানতে পারেন, যাত্রাবাড়ী এলাকায় ওইদিন বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে মাওলানা খুবাইবসহ অনেকেই ছিলেন।

শাহবাগ অভিমুখে জনতার ঢল

পরবর্তীতে চিটাগাং রোড ও অন্যান্য এলাকা থেকে আসা মানুষের সঙ্গে যোগ দিয়ে তারা শাহবাগের দিকে অগ্রসর হন। পুরো শহরজুড়ে তখন বিজয়ের আবহ তৈরি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, আন্দোলনে অংশ নেওয়া শহীদ, আহত ও ত্যাগ স্বীকারকারীদের অবদান যেন যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়।

এই ইতিহাস থেকে শিক্ষার বিষয়গুলো

মুফতি শামসুল ইসলাম জিলানীর মতে, এই ঘটনাগুলো থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন—

১. বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠন:
দেশে যেন কোনো নাগরিক অন্যায়, বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

২. সহিংসতার বিচার:
দেশের বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

৩. শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়ানো:
যারা জীবন দিয়েছেন এবং যারা স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পরিবারকে সহযোগিতা করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন তিনি।

৪. আলেম সমাজের অবদানের স্বীকৃতি:
জাতীয় সংকটের সময় আলেম ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকার যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানান।

৫. ভবিষ্যৎ শাসকদের জন্য শিক্ষা:
জনগণের অধিকার ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

৬. অর্জিত পরিবর্তন রক্ষা:
দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ ন্যায়, শান্তি ও সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাবে।

সব বেসরকারি মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ
সব বেসরকারি মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল

দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদ্রাসার বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি বাতিল করেছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে সংশোধিত প্রবিধানমালা অনুযায়ী আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) বোর্ডের রেজিস্ট্রার প্রফেসর এস এম তৌহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নতুন কমিটির সভাপতি মনোনয়নের জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে ইউএনও ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তিন সদস্যের প্যানেল পাঠাতে হবে। সিটি করপোরেশন এলাকার মাদ্রাসার ক্ষেত্রে প্রস্তাব বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে বোর্ডে পাঠাতে হবে।

বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানপ্রধান, পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে।

গাজার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১০ লাখ ডলার অনুদান নিয়ে তুরস্ক যাচ্ছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটির প্রতিনিধিদল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
গাজার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১০ লাখ ডলার অনুদান নিয়ে তুরস্ক যাচ্ছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটির প্রতিনিধিদল

ফিলিস্তিনের মাজলুম ও যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মুসলিম উম্মাহর আন্তর্জাতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে তুরস্ক সফরে যাচ্ছে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

প্রখ্যাত আলেম আল্লামা মাহফুজুল হকের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদলটি গাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় সংগৃহীত ১০ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান ফিলিস্তিন উলামা পরিষদের প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেবে।

সফরকালে প্রতিনিধিদলটি বিশ্বখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, তুর্কি উলামা পরিষদ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবে। এসব বৈঠকে ফিলিস্তিনের বর্তমান মানবিক সংকট, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশে হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটির তত্ত্বাবধানে চলমান ১৬টি বৃহৎ মানবিক প্রকল্প আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা হবে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অংশীদারত্ব এবং অর্থায়নের সুযোগ নিয়েও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা করবে প্রতিনিধিদলটি।

তুরস্ক সফরের অংশ হিসেবে আগামী ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব দস্তারবন্দী সম্মেলনেও বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করবে। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদ ও দাতব্য সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।