রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অস্ত্রোপচার সক্ষমতা বাড়াতে জহুরুল ইসলাম মেডিকেলে আধুনিক ওটি কমপ্লেক্স

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অস্ত্রোপচার সক্ষমতা বাড়াতে জহুরুল ইসলাম মেডিকেলে আধুনিক ওটি কমপ্লেক্স

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে অবস্থিত জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসাসেবার পরিধি সম্প্রসারণ এবং রোগীদের উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন ওটি (অপারেশন থিয়েটার) কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। হাসপাতালের বিদ্যমান অপারেশন থিয়েটার কমপ্লেক্সের সঙ্গে নতুন করে চারটি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার সংযোজন করা হয়েছে, যা হাসপাতালের অস্ত্রোপচার সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

সম্প্রতি আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. বাহার উদ্দিন ভূঞা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সাঈদ হাসান, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. খালিকুল ইসলাম, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. এস. এম. ইউসুফ ভূঁইয়া, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. বাহার উদ্দিন ভূঞা বলেন, “চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। নতুন এই অপারেশন থিয়েটারগুলো হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগীদের জন্য আরও নিরাপদ, উন্নত ও আন্তর্জাতিক মানের অস্ত্রোপচার সেবা নিশ্চিত করবে। আমাদের লক্ষ্য, দেশের বড় বড় হাসপাতালের মতো আধুনিক চিকিৎসাসেবা এখানেই নিশ্চিত করা।”

তিনি আরও বলেন, “রোগীদের আস্থা ও সন্তুষ্টিই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। তাই চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। মানবিক ও মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে দেশের অন্যতম সেরা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাই আমাদের লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. সাঈদ হাসান। তিনি আধুনিক চিকিৎসাসেবায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জীবাণুমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে অপারেশন থিয়েটার ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং আধুনিক সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা অনুসরণ করতে হবে।”

অন্যান্য বক্তারাও আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার, রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণ এবং হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসা কার্যক্রম আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নতুন চারটি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার চালুর ফলে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার আরও দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে কিশোরগঞ্জসহ আশপাশের জেলার রোগীরা উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের বাড়তি সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা নতুন ওটি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এবং সেখানে স্থাপিত আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সুবিধাসমূহ ঘুরে দেখেন। উপস্থিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নতুন এই সংযোজনকে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।

চান্দিনা এক্সপ্রেস এর পথ চলা শুরু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:৫৪ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনা এক্সপ্রেস এর পথ চলা শুরু

অনেকে লাকি মনে করেন। আসলে আপনারা সবাই লাকি। শুধু যার যার জায়গায় সৎভাবে ধৈর্য ধরে কাজ করুন। সাকসেস অটোমেটিক্যালি আপনাদের আসবে। পাঁচ বছর পরিশ্রম করার পর নেইমার জুনিয়রের পরিবারের সাথে আজকের এই মূল্য। এটা ডে নাইট কোনো কিছু না।

একটি কালভার্টের অপেক্ষায় তিন শতাধিক মানুষ, চরম দুর্ভোগে গাংগাটিয়াবাসী

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
একটি কালভার্টের অপেক্ষায় তিন শতাধিক মানুষ, চরম দুর্ভোগে গাংগাটিয়াবাসী

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গাংগাটিয়া বাজারসংলগ্ন রজনী রবিদাসের বাড়ির সামনের খালের ওপর একটি কালভার্ট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ২০টি হিন্দু পরিবারের তিন শতাধিক মানুষ। বাড়িতে যাতায়াতের কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। ফলে শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য পরিস্থিতি দিন দিন আরও সংকটজনক হয়ে উঠছে।

এ অবস্থায় দ্রুত একটি কালভার্ট নির্মাণের দাবিতে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষুদিরাম রবিদাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাংগাটিয়া বাজারের উত্তর পাশে অবস্থিত রজনী রবিদাসের বাড়িতে প্রায় ২০টি পরিবারের বসবাস। কিন্তু খালের কারণে বাড়িতে প্রবেশের জন্য কোনো সড়ক বা সেতু না থাকায় বাসিন্দাদের বিদ্যুতের খুঁটি ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, সামান্য বৃষ্টিতেই খালের পানি বেড়ে গেলে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসা ব্যাহত হয় এবং অসুস্থ ব্যক্তি বা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নেওয়াও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের দাবি, সবচেয়ে মানবিক সংকট দেখা দেয় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে। কারণ, খালের ওপর নিরাপদ সংযোগ না থাকায় মরদেহ বাড়ি থেকে বের করতেও স্বজনদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

আবেদনকারী ক্ষুদিরাম রবিদাস বলেন, “গাংগাটিয়া বাজারসংলগ্ন রজনী রবিদাসের বাড়ির সামনে একটি ছোট কালভার্ট নির্মাণ করা হলে বহু বছরের এই দুর্ভোগের অবসান হবে। শিশুদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তাহলে এলাকাবাসী চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।”

এলাকার বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “আবেদনটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি ছোট কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে কয়েক শ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করা সম্ভব। তারা দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

কৃষি পুনরুদ্ধারে সরকারি সহায়তা: কটিয়াদীতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল প্রদান

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
কৃষি পুনরুদ্ধারে সরকারি সহায়তা: কটিয়াদীতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল প্রদান

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার হাওড়াঞ্চলে সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য বিতরণ শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টায় কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রথম পর্যায়ে উপজেলার মুমুরদিয়া ও জালালপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা নগদ অর্থ এবং ১৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে কটিয়াদী উপজেলার মোট ১ হাজার ৬৫৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য এ মানবিক সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত কৃষকদের মাঝেও একই ধরনের সহায়তা বিতরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানার সভাপতিত্বে এবং জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, “দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের অবদান অপরিসীম। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সরকারের এই সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি আংশিক পুষিয়ে নিয়ে তারা যেন পুনরায় কৃষিকাজে ফিরতে পারেন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের যেকোনো সমস্যা দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনতে হবে, যাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা সময়মতো নিশ্চিত করা যায়।

সভাপতির বক্তব্যে লাবনী আক্তার তারানা বলেন, “স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। কোনো যোগ্য কৃষক যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম এবং মুমুরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলাউদ্দিন সাবেরী।

এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাসিবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সহায়তা পাওয়া কৃষকরা জানান, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে তাদের ধান, বীজতলা এবং বিভিন্ন সবজি চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের দেওয়া নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবার পরিচালনা এবং নতুন করে কৃষিকাজ শুরু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে নগদ অর্থ ও চাল তুলে দেন। পুরো আয়োজনজুড়ে কৃষকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। তারা সরকারের এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও কৃষিখাতে এমন সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।