মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩

সবুজায়নে নতুন প্রত্যয়, হোসেনপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সবুজায়নে নতুন প্রত্যয়, হোসেনপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্ভোধন করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, এসময় সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ কিশোরগঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা(উপসচিব) মোছাঃ মোস্তারী কাদেরী। এছাড়াও জেলা পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও জনগণের উপস্থিতি ছিল।

শনিবার (১৩ জুন) উপজেলার একটি গ্রামীণ এলাকায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন। এ সময় পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বজুড়ে পরিবেশগত ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এই সংকট মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যমান গাছপালার সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। তারা প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি গাছ রোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান।

তারা আরও বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না; রোপণকৃত গাছের টেকসই পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমন্বয়ে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করা গেলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা প্রতীকীভাবে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, দীর্ঘমেয়াদি এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বনাঞ্চল সম্প্রসারণ, জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এলাকায় সবুজায়ন আন্দোলনের নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি আরও বিস্তৃত আকারে অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর যাত্রায় ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রয়েল মিয়ার শুভেচ্ছা)।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর যাত্রায় ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রয়েল মিয়ার শুভেচ্ছা)।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হওয়ায় আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ৬নং বাড়েরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রয়েল মিয়া (রাফি)। এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি পোর্টালটির সম্মানিত সম্পাদক, প্রকাশক, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে এই শুভ ক্ষণে শুভকামনা জানান।

​চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রয়েল মিয়া (রাফি) বলেন,

​”‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ নামে নতুন একটি নিউজ পোর্টালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি শুধু একটি ওয়েবসাইটের উদ্বোধন নয়, বরং চান্দিনার মাটি ও মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার এক নতুন প্রত্যয় হিসেবে কাজ করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।”

​ডিজিটাল যুগের চাহিদার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ তাৎক্ষণিক, নির্ভুল এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রত্যাশা করে। চান্দিনার সুখ-দুঃখ, স্থানীয় সমস্যা ও অমিত সম্ভাবনার কথা সারা দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরতে ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

​শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, “সত্য প্রকাশে আপোষহীন”—এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে পোর্টালটি খুব দ্রুতই চান্দিনাবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নেবে এবং সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করবে।

​সর্বশেষে, তিনি ৬নং বাড়েরা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে ‘চান্দিনা এক্সপ্রেস’ পরিবারের সবার উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং বলেন, “চান্দিনা এক্সপ্রেস এগিয়ে যাক, চান্দিনার মানুষের কথা বলুক।”

“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।” — মাওলানা মুহাম্মদ মাহদী হাসান তরুণ আলেম, সংগঠক ও সমাজসেবক

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।” — মাওলানা মুহাম্মদ মাহদী হাসান তরুণ আলেম, সংগঠক ও সমাজসেবক

“সাহসিকতার সাথে সত্য সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধপরিকর”
জনপদের প্রতিটি সমস্যা, সম্ভাবনা, সুখ-দুঃখ এবং সাধারণ মানুষের মনের আকুতি জনকণ্ঠ হয়ে তুলে ধরতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে চান্দিনা এক্সপ্রেস।
সত্য, ন্যায় ও বস্তুনিষ্ঠতার আলোকে সংবাদ পরিবেশন করে জনগণের আস্থা অর্জন করাই একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমের মূল লক্ষ্য। অবহেলিত মানুষের কথা, সমাজের বাস্তব চিত্র এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নির্ভীকভাবে তুলে ধরে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে চান্দিনা এক্সপ্রেস।
একটি গণমাধ্যম কেবল সংবাদ পরিবেশন করে না; বরং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন, সচেতনতা ও উন্নয়নের পথকে আরও সুগম করে। ন্যায়নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনবান্ধব সাংবাদিকতার আদর্শ ধারণ করে চান্দিনা এক্সপ্রেস আগামী দিনে আরও সমৃদ্ধ ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে—এই প্রত্যাশা রাখি।
“সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাবাহিকতায় চান্দিনা এক্সপ্রেস উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধির শিখরে আরোহণ করুক—এই শুভকামনা রইল।”

উন্মাদনার ফুটবল বনাম ক্ষুধার পৃথিবী: খোলস-মানুষের চশমায় ঢাকা মনুষ্যত্ব

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
উন্মাদনার ফুটবল বনাম ক্ষুধার পৃথিবী: খোলস-মানুষের চশমায় ঢাকা মনুষ্যত্ব

একদিকে মাঠের সবুজ ঘাসে ২২০ বিলিয়ন ডলারের ঝনঝনানি, অন্যদিকে একবেলা আহারের অপেক্ষায় থাকা কোটি কোটি শিশুর নিস্তব্ধ হাহাকার। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ ফুটবল বিশ্বকে যেমন এক অভূতপূর্ব উন্মাদনায় ভাসিয়েছিল, ঠিক তেমনি উন্মোচিত করে দিয়েছে আধুনিক সভ্যতার এক নির্মম ও কুৎসিত বৈপরীত্য।

​জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (WFP) তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলির একটি হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার খরচ করলেই পৃথিবীর প্রায় ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের মৌলিক খাদ্যচাহিদা সম্পূর্ণ পূরণ করা সম্ভব। গাণিতিক হিসেবে, কাতার বিশ্বকাপের পেছনে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে, তা দিয়ে বিশ্বের সমগ্র ক্ষুধা অন্তত সাড়ে পাঁচ বছর দূর করা যেত।

​উৎসবের আড়ালে ঢাকা পড়া কঙ্কাল

​যে বিশ্বে প্রতি রাতে কোটি কোটি মানুষ ক্ষুধার্ত পেটে ঘুমাতে যায়, সেই বিশ্বে স্রেফ একটি ২৮ দিনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পেছনে ২২০ বিলিয়ন ডলারের বিপুল অপচয় এক চরম উপহাস। বিশ্বজুড়ে কর্পোরেট পরাশক্তি, গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থা কতটা বিবেকহীন ও ভোগবাদী মানসিকতায় আক্রান্ত। একটি খেলার আনন্দ কোটি প্রাণ বাঁচানোর চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে তথাকথিত এই ‘সভ্য’ সমাজে।