বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

হোসেনপুরে ধানের শীষের পক্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশাল নির্বাচনী প্রচারণা

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হোসেনপুরে ধানের শীষের পক্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিশাল নির্বাচনী প্রচারণা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর–হোসেনপুর) আসনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে মাঠে নেমেছে বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দল। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিল ও গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

হোসেনপুর পৌর এলাকায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু নাসের সুমন।

অনুষ্ঠান শুরুর আগে হোসেনপুর উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের শত শত নেতা-কর্মী একটি বিশাল মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এ সময় “মাজহারুল ইসলামের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন”—এমন স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সভায় নেতা-কর্মীরা জেলা বিএনপির তিনবারের সফল সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু নাসের সুমন বলেন, “মাজহারুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ বিএনপির একজন পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় নেতা। সদর ও হোসেনপুরের উন্নয়ন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তাঁর হাতকে শক্তিশালী করতে ধানের শীষে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করতে হবে। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করে এই অঞ্চলের মানুষের সেবার সুযোগ করে দিতে হবে।”

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা মো. শওকত হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আল আমিন ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা সুজন মিয়া, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রুহুল আমিন সুমন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মাসুদ মীর, কার্যকরী সদস্য আবু রায়হান মীর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান হিমেল ও তারেক রহমান সুমন, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাজিব আহমেদ, কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুম মিয়া, এবং যুগ্ম আহ্বায়ক দিদারুল আলম ও সাদ্দাম হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে স্বেচ্ছাসেবক দল রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। কিশোরগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি তথা ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে তারা পাড়া-মহল্লায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মাজহারুল ইসলাম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে হোসেনপুর ও সদরের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণে চান্দিনার বর্ষীয়ান নেতা অধ্যাপক আলী আশরাফ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৯ পূর্বাহ্ণ
পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণে চান্দিনার বর্ষীয়ান নেতা অধ্যাপক আলী আশরাফ

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আলী আশরাফের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

২০২১ সালের ৩০ জুলাই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

১৯৪৭ সালে চান্দিনা উপজেলার গল্লাই গ্রামে জন্ম নেওয়া আলী আশরাফ পেশাজীবনের শুরুতে কলেজে অধ্যাপনা করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৩ সালে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালেও কুমিল্লা-৭ আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০০ সালে তিনি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সরকারি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

দলীয়ভাবে তিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে চান্দিনার শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন অধ্যাপক আলী আশরাফ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার মেয়ে, এক ছেলে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।

দেখা মাত্রই শেয়ার না করে একটু ভাবুন!

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ
দেখা মাত্রই শেয়ার না করে একটু ভাবুন!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্ক্যান্ডাল ও অশালীন ভিডিও ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তরুণ অ্যাক্টিভিস্ট, ব্যবসায়ী ও সংগঠক আবুজর গিফারী।

নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্ক্যান্ডাল কিংবা অশালীন ভিডিও যাচাই-বাছাই ছাড়াই অনেককে শেয়ার করতে দেখা যাচ্ছে। ফলে এসব অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে নারী-পুরুষ—সব বয়সী মানুষের সামনে চলে আসছে, যা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

আবুজর গিফারী বলেন, “একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের মনে রাখা দরকার, অন্যের দোষ কিংবা গোপন বিষয় ছড়িয়ে দেওয়া ঠিক নয়।”

এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনের সুরা আন-নূরের একটি আয়াত উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নিশ্চয় যারা মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার কামনা করে, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” —সুরা আন-নূর, আয়াত ১৯।

তিনি আরও বলেন, ভাইরাল হওয়ার প্রতিযোগিতায় না নেমে প্রত্যেকের উচিত নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেওয়া। কারও ব্যক্তিগত ভিডিও কিংবা স্ক্যান্ডাল শেয়ার না করে তা এড়িয়ে চলার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে।

শেয়ার করার আগে সবাইকে একবার ভাবার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এই পোস্ট কিংবা ভিডিওটি শেয়ার করার মাধ্যমে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন, নাকি সমাজে অশ্লীলতা ও ক্ষতি আরও ছড়িয়ে পড়বে?”

পোস্টের শেষাংশে আবুজর গিফারী বলেন, “সব সময় অন্যের খারাপ চরিত্রকে বড় করে প্রচার না করে, নিজের চরিত্র ও আচরণের দিকে একটু খেয়াল করুন।”

বেফাক ও হাইয়াতুল উলইয়ায় সচেতন আলেম সমাজের ১২ দফা প্রস্তাব

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
বেফাক ও হাইয়াতুল উলইয়ায় সচেতন আলেম সমাজের ১২ দফা প্রস্তাব

কওমী মাদরাসায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ এবং আল-হাইআতুল উলয়ার কাছে ১২ দফা সংস্কার প্রস্তাব পেশ করেছে ‘সচেতন আলেম সমাজ’।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আল-হাইআতুল উলয়ার প্রধান কার্যালয়ে প্রস্তাবনাগুলো হস্তান্তর করা হয়। এতে কওমী মাদরাসাকে ঘিরে অপপ্রচার, গুজব, সম্পাদিত ভিডিওভিত্তিক ডিজিটাল মব এবং একপেশে মিডিয়া ট্রায়াল প্রতিরোধে দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও ডাটাবেজ তৈরি, শিক্ষক নিয়োগে শিক্ষাগত ও চারিত্রিক মানদণ্ড নির্ধারণ, অপরাধে দোষী শিক্ষকদের ব্ল্যাকলিস্ট করা, নিয়মিত মাদরাসা পরিদর্শন এবং নিবন্ধন নবায়ন ব্যবস্থা চালু।

এ ছাড়া শিশু সুরক্ষা নীতিমালা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল, ২৪ ঘণ্টার হেল্পলাইন, রিসার্চ সেন্টার, সিসিটিভি স্থাপন, প্রেস উইং ও সাইবার মনিটরিং টিম গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, ভিত্তিহীন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে মাদরাসায় কোনো অপরাধ ঘটলে তা গোপন না করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

প্রস্তাব পেশকারী প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কওমী মাদরাসাগুলোর জবাবদিহিতা বাড়বে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং পরিকল্পিত অপপ্রচার প্রতিরোধ করা সহজ হবে।