অনিয়ন্ত্রিত মাদ্রাসাগুলোকে নিবন্ধন ও তদারকির আওতায় আনার দাবি ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকেরুল্লার
ফ্ল্যাট, বাসাবাড়ি, অলিগলি এবং বিভিন্ন এলাকায় অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা মাদ্রাসা ও মহিলা মাদ্রাসাগুলোকে নিবন্ধন, নিয়ম-শৃঙ্খলা এবং কার্যকর সরকারি তদারকির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকেরুল্লা।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে সামাজিকভাবে প্রশ্ন তোলা এখন জরুরি ও আবশ্যক হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রকে বাধ্য করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকেরুল্লা বলেন, যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য নিবন্ধন, নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম, যোগ্য শিক্ষক, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, পরিচালনায় স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত সরকারি বা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষের তদারকি থাকা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।
তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন এলাকায় গড়ে ওঠা অনেক মাদ্রাসা কার্যকর মনিটরিং ও জবাবদিহিতা ছাড়াই নিজেদের ইচ্ছামতো পরিচালিত হচ্ছে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় বলেই কোনো প্রতিষ্ঠান আইন, জবাবদিহিতা ও মনিটরিংয়ের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না। বরং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সুশাসন ও কার্যকর পর্যবেক্ষণ আরও বেশি নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা অটুট থাকে।
রাষ্ট্র এসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, তদারকি ও শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে অনিয়ন্ত্রিতভাবে সেগুলো পরিচালনার সুযোগ দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকেরুল্লা আরও বলেন, এটি মাদ্রাসা শিক্ষা বা ধর্মীয় শিক্ষার বিরুদ্ধে কোনো অবস্থান নয়। বরং সার্বিকভাবে মাদ্রাসা শিক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া থেকে রক্ষা করতে অনুমোদনহীন ও নিয়ন্ত্রণহীন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষ করে মেয়ে ও শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, শিক্ষার মান এবং সমাজ ও ধর্মের বৃহত্তর স্বার্থে এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।













